স্প্যানিশ লা লিগায় ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গোল উৎসব করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চমৎকার এক গোলে সফরকারী দলকে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে অল-হোয়াইটরা। ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি জোড়া অ্যাসিস্ট করে জয়ের রূপকার জুড বেলিংহাম।
ঘরের মাঠে ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ দিকে দলকে প্রথম সাফল্য এনে দেন এমবাপ্পে। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি প্রতিপক্ষের লুকা সুশিচ; দ্রুতই গোল শোধ করে খেলায় সমতা ফেরান তিনি। ফলে ১-১ ব্যবধানের সমতা নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতির পর বার্নাব্যুতে শুরু হয় এমবাপ্পে-শো। একে একে আরও দুটি দৃষ্টিনন্দন গোল করে রিয়ালের জার্সিতে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। দলের হয়ে অন্য গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
ম্যাচ শেষে এমবাপ্পের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে মুগ্ধ রিয়াল মাদ্রিদ কোচ হোসে মরিনহো প্রশংসায় ভাসান এই তারকাকে। তিনি বলেন, “এই ছেলেটা অবিশ্বাস্য! আমি সত্যিই আনন্দিত যে সে বিশ্বকাপে ইতিহাস তৈরি করেছে। ২৫ জন বিশ্বজয়ী খেলোয়াড় থাকতে পারে, কিন্তু ফুটবলে অমরত্ব পায় একজনই— যিনি একটি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন। রিয়াল মাদ্রিদের হয়েও ইতিহাস গড়ার ক্ষুধা ওর চোখে-মুখে পরিষ্কার।”
ফরাসি ফরোয়ার্ডের খেলার ধরন নিয়ে মরিনহো আরও যোগ করেন, “সে শুধু সুযোগের অপেক্ষায় থাকা কোনও সাধারণ গোলস্কোরার নয়। সে পুরো ম্যাচজুড়েই ভীষণ সক্রিয় থাকে। এই স্তরের খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগতভাবে আলাদা শেখানোর কিছু থাকে না, পুরো দলটাকে পরিচালনা করাই মূল বিষয়।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সমাপ্ত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ১০টি গোল করে একক আসরে ইতিহাস গড়ার পাশাপাশি সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে রেকর্ড ২২ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন এমবাপ্পে।
সেই অনন্য অর্জনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মরিনহো বলেন, “২৫ জন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন, কিন্তু ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল বেঁচে থাকার রেকর্ড গড়েছেন একজনই— যিনি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন।”

রিয়ালের প্রথম লা লিগা ম্যাচ স্থগিতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান







