পশ্চিম তীরের অবৈধ ইহুদি বসতির বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারির জবাবে যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডোন সা’আর।
মঙ্গলবার সা’আর জানান, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তিনি যৌথভাবে জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি কিরিয়াত গাতে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ইন্টারন্যাশনাল গাজা সাপোর্ট সেন্টার থেকে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের বহিষ্কার এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ কাজে নিয়োজিত রামাল্লার ব্রিটিশ সাপোর্ট টিম বিলুপ্ত করার ঘোষণা দেন তিনি। এ ছাড়া ইহুদিবিদ্বেষী ও ইসরায়েলবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগে যুক্তরাজ্যের ১১ জন আইনপ্রণেতা ও ১ জন আইনজীবীর ওপর ইসরায়েলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্সে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের দেওয়া বক্তব্যকে ‘আপত্তিকর ও মিথ্যা’ বলে আখ্যা দেন সা’আর। তিনি অভিযোগ করেন, চলতি মাসে আয়োজিত লেবার পার্টির সম্মেলনকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই এই নৈতিকভাবে বিকৃত নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয় ও নির্বাচন প্রচারণায় স্পষ্ট হস্তক্ষেপ।
পরে ইংরেজিতে দেওয়া আরেক বিবৃতিতে সা’আর বলেন, পশ্চিম তীরের পণ্য বর্জন করার মতো নীচ চর্চা কঠোর পরিশ্রমী ও আইন মেনে চলা সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এতে করে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কর্মীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং বিদেশে ইহুদিবিদ্বেষ আরও উসকে উঠবে বলে তিনি সতর্ক করেন।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

১১ ব্রিটিশ এমপির প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিলো ইসরায়েল
পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতির বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যসহ ১২ ইউরোপীয় দেশের নিষেধাজ্ঞা







