সন্তানকে সুস্থ করতে হাসপাতালে, সেখানেই অভিভাবকদের আরেক লড়াই

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:০০আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:০০

সন্তান ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ছুটে আসছেন অভিভাবকরা। কিন্তু চিকিৎসা পাওয়ার পরও অনেকের স্বস্তি মিলছে না। কোথাও শয্যার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা, কোথাও শিশুকে কোলে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জরুরি বিভাগে বসে থাকা। আবার অভিযোগ রয়েছে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সেবার নানা সীমাবদ্ধতা নিয়েও। সন্তানের সুস্থতার অপেক্ষার পাশাপাশি হাসপাতালের এসব ভোগান্তি যেন স্বজনদের জন্য আরেক লড়াই হয়ে উঠেছে।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ভর্তি শিশুদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে এসব ভোগান্তির চিত্র পাওয়া গেছে। কেউ দীর্ঘ সময় জরুরি বিভাগে অপেক্ষা করে শয্যা পেয়েছেন, কেউ শয্যা পেলেও ওয়ার্ডের পরিবেশ ও সেবার নানা সীমাবদ্ধতা নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছেন।

খিলক্ষেতের বাসিন্দা শামীম সরদার ১৫ সেপ্টেম্বর পাঁচ বছর তিন মাস বয়সী ডেঙ্গু আক্রান্ত মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এর আগে মেয়ের ডেঙ্গুর উপসর্গ থাকলেও এনএস১ পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছিল। বাসার কাছাকাছি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শয্যা খালি না থাকায় পরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে আসেন।

শামীম বলেন, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে অনেক রোগীকে শয্যার জন্য অপেক্ষা করতে দেখেছেন। সেখানে শয্যা না পেয়ে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে এসে ভর্তি হন। এখানে চিকিৎসক ও নার্সদের সেবা মোটামুটি ভালো পেলেও ওয়ার্ডের পরিবেশ আরও উন্নত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

বিশেষ করে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে গরম বাতাস বের হওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ করেন শামীম। তার ভাষ্য, রোগী দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য চিকিৎসার পাশাপাশি ভালো পরিবেশও প্রয়োজন।

মেয়ের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, চিকিৎসার পর প্লাটিলেট বেড়েছে এবং শারীরিক অবস্থারও উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শে আরও দুই-একদিন হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে।

হাসপাতালের খরচ সম্পর্কে শামীম বলেন, কিছু শয্যা বিনামূল্যে দেওয়া হলেও কিছু শয্যার জন্য টাকা দিতে হয়। তিনি যে শয্যায় আছেন, তার জন্য প্রতিদিন প্রায় ৭০০ টাকা দিতে হচ্ছে বলে জানান।

মিরপুর ১০ নম্বরের বাসিন্দা নাসরিন আক্তার গত ১৬ সেপ্টেম্বর ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। শিশুটির ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত জ্বর ও খিঁচুনি ছিল। প্রথম দিন ডেঙ্গু পরীক্ষা নেগেটিভ এলেও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দুই দিন পর পুনরায় পরীক্ষা করা হলে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।

নাসরিন জানান, বিকাল ৩টার দিকে হাসপাতালে এসে জরুরি বিভাগে সিরিয়াল নেন। তখন তার ছেলে ছিল ৫২ জনের পেছনে। ১০৫ ডিগ্রি জ্বর ও খিঁচুনিতে আক্রান্ত শিশুকে কোলে নিয়ে প্রায় চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে চিকিৎসক দেখেন। চিকিৎসক ভর্তি করার পরামর্শ দিলেও শয্যা খালি না থাকায় রাত ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।

নাসরিন বলেন, প্রথমে শিশুকে কার্ডিয়াক ব্লকে রাখা হয়েছিল। ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর ডেঙ্গু ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। চার দিন ধরে ১০৪-১০৫ ডিগ্রি জ্বরে ভোগার পর এখন জ্বর কিছুটা কমলেও শিশুটি ঠিকমতো খেতে পারছে না এবং বমি করছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গু কিছুটা খারাপের দিকে থাকায় সুস্থ হতে সময় লাগবে।

চিকিৎসকদের সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও নার্সদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন নাসরিন। তিনি বলেন, চিকিৎসকেরা নিয়মিত রাউন্ডে এলেও নার্সদের ডাকলে অনেক সময় পাওয়া যায় না। বারবার ডাকলে তারা বিরক্ত হন বলেও অভিযোগ তার। ওয়ার্ডের বাথরুমসহ বিভিন্ন জায়গায়ও সমস্যা রয়েছে বলে জানান তিনি।

হাসপাতালের খরচের বিষয়ে নাসরিন জানান, প্রথম ওয়ার্ডে তিন দিনে ২ হাজার ৩০০ টাকা দেওয়ার পর ডেঙ্গু ওয়ার্ডে স্থানান্তরের সময় আরও ২ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। আরও তিন দিন থাকতে হলে আবার টাকা দিতে হবে।

নাসরিনের স্বামী মিরপুর ১০ নম্বরে একটি ভবনে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করেন। তার মাসিক বেতন ১০ হাজার টাকা। নাসরিন বলেন, এই আয়ে বাসাভাড়া ও সন্তানের চিকিৎসার খরচ বহন করা তাদের জন্য খুবই কঠিন।

আগারগাঁও তালতলার বাসিন্দা শারমিন আক্তার মিতু ১৫ সেপ্টেম্বর পাঁচ বছর সাত মাস বয়সী ছেলে খন্দকার আরাফাতকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এর আগে ১ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছেলের জ্বর থাকায় হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা চলছিল। দুই সপ্তাহের মধ্যে একাধিকবার ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো হলেও ফল নেগেটিভ আসে। ১৫ সেপ্টেম্বর আবার পরীক্ষা করা হলে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়।

মিতু জানান, ভোর ৫টার দিকে হাসপাতালে এসে প্রথমে জরুরি বিভাগে ছিলেন। সেখানে অক্সিজেন ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। শয্যা খালি না থাকায় সেখানে টাকা দিয়ে থাকতে হয়েছে। পরে ওয়ার্ডে শয্যা পাওয়া যায়।

হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিয়ে বড় অভিযোগ না থাকলেও পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মিতু। বিশেষ করে টয়লেট ও ওয়াশরুম অপরিষ্কার থাকার অভিযোগ করেন তিনি। একটি ওয়াশরুম ও একটি টয়লেট অনেক মানুষ ব্যবহার করছেন এবং সেখানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করা হয় না বলে জানান।

মিতু বলেন, এই পরিবেশে বাচ্চা সুস্থ হবে কি না, তা নিয়েই চিন্তা হয়। এখানে ঢুকলে বড় মানুষই অসুস্থ হয়ে যেতে পারে, বাচ্চার তো আরও সমস্যা।

ঢাকামুখী চিকিৎসায় বাড়তি ভোগান্তি

ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য রাজধানীর হাসপাতালে চাপ বাড়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসতে হচ্ছে রোগীদের। মাদারীপুরের শিবচর থেকে বাবার কিডনি রোগের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসা মেহেদী হাসান সাকিব বলেন, উপজেলা হাসপাতালে কিডনির চিকিৎসা, নেফ্রোলজিস্ট ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি নেই। ফলে বাবার চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসা ছাড়া তার সামনে আর কোনো পথ নেই।

পাবনা থেকে ছেলেকে নিয়ে ঢাকার বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিতে আসা মোহাম্মদ মাহতাবের ছেলেও ১০ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি, আট দিন ধরে আইসিইউতে। প্রথমে পাবনা মেডিক্যালে নিউমোনিয়ার চিকিৎসা নেওয়ার পর ডায়রিয়া ও শরীরে র‍্যাশ দেখা দেয়। পাবনার একটি প্রাইভেট মেডিক্যালে চিকিৎসা নেওয়ার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ঢাকায় আসতে হয় তাদের।

মাহতাব বলেন, ‘আমি যদি পাবনায় চিকিৎসাটা পেতাম, তাহলে ঢাকায় এসে এভাবে থাকতে হতো না। এখানে আমাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। থাকার জায়গা নেই, বসার জায়গা নেই।’

চিকিৎসা কেন ঢাকাকেন্দ্রিক

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ এবং উচ্চতর চিকিৎসাশিক্ষার জায়গা ঢাকায় অবস্থিত। মেডিক্যাল কলেজ, মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়গুলোও মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক। এ কারণে সারা দেশ থেকে মানুষ চিকিৎসার জন্য ঢাকার দিকে ছুটে আসে।

তার মতে, অধিকাংশ জায়গায় চিকিৎসক থাকলেও পূর্ণ চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক উপকরণ ও আয়োজন নেই। ফলে রোগীদের ঢাকায় আসতে হয়।

ডা. লেলিন বলেন, ‘এখন আমাদের কাজ হচ্ছে ঢাকার পেট থেকে বাংলাদেশটাকে বের করে আনা। এজন্য অন্যান্য সেবার মতো চিকিৎসাসেবাকেও বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে উপজেলাভিত্তিক এবং জেলাভিত্তিক একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রণয়ন করা এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে এটি ঘটতেই থাকবে।’

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খুবই অবহেলিত। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে যদি আমরা রোগীদের যথেষ্ট পরিমাণে সেবা দিতে পারতাম এবং তার সঙ্গে সংযুক্ত রেখে সেকেন্ডারি স্বাস্থ্য চিকিৎসা, যেমন উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স, জেলা হেলথ কমপ্লেক্স; সেখানে ব্যবস্থা করতে পারতাম, তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতো।’

তিনি বলেন, মানুষ সোজা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও ঢাকার বড় বড় হাসপাতালকে চিকিৎসা কেন্দ্র মনে করে। হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে মানুষের যত রকম স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া যায়, তা বাড়ির কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। জটিল রোগের ক্ষেত্রে রোগী যাবে বিশেষায়িত বা টারশিয়ারি পর্যায়ের হাসপাতালে।

সরকারের পরিকল্পনা

গত ১৫ আগস্ট রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমি মনে করি স্বাস্থ্য সেবা সহজলভ্য এবং সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া অত্যন্ত জরুরি। উন্নত চিকিৎসা যদি শহরের বিত্তবান মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে তাহলে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা বলা যাবে না। সুতরাং প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং প্রান্তিক মানুষের কাছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।’

চিকিৎসা সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন রোগী যাতে যেকোন চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাজধানীতে আসতে না হয় এজন্য সরকার ইহেলথ কার্ডের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও কার্যকর রেফারেন্স সিস্টেম গড়ে তোলার পাশাপাশি চিকিৎসা সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করছে।’

সন্তানের চিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য হাসপাতালে ছুটে আসা এসব অভিভাবকের কাছে তাই চিকিৎসার পাশাপাশি শয্যা পাওয়া, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা, ওয়ার্ডের পরিবেশ এবং সেবার সীমাবদ্ধতাও বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে।

/এএজে/এম/ইউএস/
সম্পর্কিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের গুজব, আতঙ্কে বেরিয়ে পড়লেন রোগীরা
হাসপাতালে একজনকে মৃত ঘোষণার পর নারী চিকিৎসকের ওপর হামলা
৩৭ জনের পর হাতিয়ার সেই স্কুলে এবার ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ
সর্বশেষ খবর
ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা, জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা, জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশে আসাটাই ভুল হয়েছে: নাশকতায় সম্পৃক্ততার সন্দেহে ভারতীয়
বাংলাদেশে আসাটাই ভুল হয়েছে: নাশকতায় সম্পৃক্ততার সন্দেহে ভারতীয়
জাতিসংঘে নাম পরিবর্তনের ঘোষণা, নতুন পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ করলো যে ক্ষুদ্র দেশ
জাতিসংঘে নাম পরিবর্তনের ঘোষণা, নতুন পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ করলো যে ক্ষুদ্র দেশ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দ্রুত করিয়ে দেওয়ার নামে টাকা চাইছে? সতর্ক হোন
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দ্রুত করিয়ে দেওয়ার নামে টাকা চাইছে? সতর্ক হোন
সর্বাধিক পঠিত
বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি
বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি
আলোচিত সেই দুই হোটেল বন্ধের নির্দেশ
আলোচিত সেই দুই হোটেল বন্ধের নির্দেশ
পাসপোর্ট রি-ইস্যুতে ‘শর্টকাটের’ সুযোগ আর থাকছে না
পাসপোর্ট রি-ইস্যুতে ‘শর্টকাটের’ সুযোগ আর থাকছে না
সরকারি চাকরিজীবীদের পাসপোর্টে নতুন নিয়ম
সরকারি চাকরিজীবীদের পাসপোর্টে নতুন নিয়ম
‘আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে’ সাবেক পিপিকে থানায় নিয়ে গেলেন আইনজীবী নেতারা
‘আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে’ সাবেক পিপিকে থানায় নিয়ে গেলেন আইনজীবী নেতারা