ইয়েমেনের হুতিদের হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি বন্দর ইয়ানবু রক্ষায় সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ফ্রান্সের সংবাদমাধ্যম ল্য মোঁদ এ খবর জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, ওই স্থাপনা রক্ষায় সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে ফ্রান্স। সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ম্যাক্রোঁ বলেন, লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত ইয়ানবু বন্দর দিয়ে কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়। সম্প্রতি হামলায় বন্দরটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে এই সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে কোনও সংঘাতে জড়ানোর ইচ্ছা ফ্রান্সের নেই বলে স্পষ্ট করেন ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেন, কোনও সংঘাতে নিজেদের জড়ানোর জন্য নয়, বরং স্থাপনাটি সুরক্ষার জন্য এসব সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হবে। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান ফরাসি প্রেসিডেন্ট। এ বিষয়ে ইরানি ও ওমানিদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে সাক্ষাৎকারে ইউরোপে রুশ হামলার আশঙ্কা নিয়ে একটি মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন ফরাসি গোয়েন্দাদের দেওয়া হয়েছিল—এমন দাবি নাকচ করেন ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেন, সমুদ্র থেকে চালানো রুশ ড্রোন হামলার বিষয়ে সিআইএ ফরাসি গোয়েন্দা সংস্থাকে কোনও তথ্য দেয়নি।
ইউরোপজুড়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন ম্যাক্রোঁ। তিনি এটিকে ইউক্রেনের পাশাপাশি ইউরোপীয়দের জন্যও ‘উদ্বেগজনক’ পরিস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করেন। ম্যাক্রোঁ বলেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউরোপজুড়ে শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড বেড়েছে। ইউক্রেনকে ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থনের কারণে মস্কো এখন ইউরোপকে ইউক্রেনের কৌশলগত গভীরতা হিসেবে দেখছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হঠাৎ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি কেন বন্ধ করলো বাংলাদেশ?