রাজধানীর বনানী থানার অস্ত্র আইনে করা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে চার্জগঠন বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ৩ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক এলিনা আক্তারের আদালত এই তারিখ নির্ধারণ করেন৷
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এই মামলার আসামি আনিসুল হককে আন্তজার্তিক ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হয়। একারণে চার্জগঠন বিষয় শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ৩ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আনিসুল হক বনানী থানার অধীনে নিজের নামে লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি পিস্তলের মালিক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য দেওয়া সব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু আনিসুল হক ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ৫ মে পর্যন্ত তার লাইসেন্সকৃত অস্ত্রটি থানায় জমা দেননি বা থানাকে অবহিতও করেননি।
আরও বলা হয়, আসামির ঠিকানায় গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং অস্ত্র জমা সম্পর্কে কোনো তথ্য মেলেনি। তিনি কোনো গুলি কিনেছেন এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ উল্লেখ করা হয়৷ ওই ঘটনায় বনানী থানায় মামলা দায়ের করেন সংশ্লিষ্ট থানার উপপরিদর্শক মো. জানে আলম দুলাল।
মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট বনানী থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াদুল হক আনিসুল হককের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নৌপথে পলায়নরত অবস্থায় রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে আনিসুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর থেকে বিভিন্ন হত্যা, হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।