বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সেন্টমার্টিন স্টেশন কমান্ডার লে. এসএম জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, অবৈধভাবে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সময় রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারডুবির ঘটনায় দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড সদস্যরা। এসময় সেন্টমার্টিনের স্থলভাগ থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় আরও একজন রোহিঙ্গা যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে। সে মুমূর্ষু থাকার কারণে তার নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। তাকে দ্রুত সেন্টমার্টিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৭৩ জনকে।
প্রসঙ্গত, গত (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালীয়াপাড়া সাগর উপকূল হয়ে অবৈধভাবে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় সেন্টমার্টিনের থেকে ৩-৪ নটিক্যাল মাইল পূর্ব-দক্ষিণে পাথরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পানিতে ডুবে যায়। পরে মাছ ধরার জেলেদের মাধ্যমে খবর পেয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ট্রলারে ১৩৮ জন যাত্রী ছিল বলে জানিয়েছেন কোস্টগার্ড। এখনও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। এঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ দালালকে আটক করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আরও পড়ুন...
সাগরে বড় জাহাজে ওঠার কথা ছিল ওদের
কোরালের সঙ্গে বাড়ি খেয়েই ট্রলারডুবি, চার দালাল আটক (ভিডিও)
মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা রোহিঙ্গারা (ফটোস্টোরি)
যেভাবে ডুবেছিল মালয়েশিয়াগামী ট্রলারটি
৯৯৯-এ ফোন দিয়ে বাঁচার আকুতি জানিয়েছিলেন আব্দুল
মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবি, ১৫ লাশ উদ্ধার