নিরাপদে ইংল্যান্ড পৌঁছেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরী

বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরী হারমোনি অব দ্য সিজবিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরী হারমোনি অব দ্য সিজ ফ্রান্স থেকে যাত্রা শুরু ইংল্যান্ডে পৌঁছেছে। টাইটানিকের চেয়ে ৫গুণ বড় এ প্রমোদতরীর এটা ছিল প্রথম সমুদ্রযাত্রা। অনেকের মনেই আশঙ্কা ছিল টাইটানিকের মতো পরিণতি হতে পারে এ প্রমোদতরীর। তবে আশঙ্কা উড়িয়ে মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন বন্দরে নোঙর ফেলেছে প্রমোদতরীটি।

রবিবার ফ্রান্সের পশ্চিমাঞ্চলের বন্দর সেইন্ট-নাজায়ের থেকে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে প্রথমবারের মতো সমুদ্র যাত্রা শুরু করে হারমোনি অব দ্য সিজ। জাহাজটির প্রথম সমুদ্রযাত্রায় রওয়ানা দেওয়ার আগে কয়েক হাজার মানুষ বিদায় জানান। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে সাউদাম্পটন বন্দরে অল্প কিছু মানুষ প্রমোদতরীটিকে স্বাগত জানান।

এটি ছিল প্রমোদতরীটির পরীক্ষামূলক সমুদ্রযাত্রা। যাত্রীদের প্রথম বাণিজ্যিক সমুদ্রযাত্রা করবে ২২ মে। চার রাতের ওই সমুদ্রযাত্রায় জাহাজটি সাউদাম্পটন থেকে রটেরডাম যাবে।

প্রমোদতরীটি তৈরিতে ব্যয় হয়েছে ১ বিলিয়ন ডলার। সময় লেগেছে প্রায় আড়াই বছর। ১ হাজার ১৮৭ ফুট দীর্ঘ ও ১৬টি ডেক সমৃদ্ধ এ প্রমোদতরীটি ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারের চেয়েও বড়। জাহাজটি ৬ হাজার ৭৮০ জন যাত্রী ও ২ হাজার ১০০ জন ক্রু বহন করতে সক্ষম।

এ প্রমোদতরীকে ভাসমান শহর হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। ২৫০০ স্টেটরুম, ২০টি ডাইনিং রুম, ২৩টি সুইমিং পুল এবং ১০ হাজার ফুল ও ৫০টি গাছসহ একটি পার্ক রয়েছে। আছে ১১ হাজারেরও বেশি শিল্পকর্মের বিশাল ভাণ্ডার।

এছাড়া আছে রোপ স্লাইড, মিনি গল্ফ, ক্যাসিনো, প্রায় দেড় হাজার আসনের থিয়েটার। আছে চোখ ধাধানো সব আয়োজনের পসরা। অন্যতম আকর্ষণ দশ তলা বিশিষ্ট ওয়াটার স্লাইড।

মার্কিন প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ক্যারিবিয়ানের জন্য এই প্রমোদতরী নির্মাণ করেছে ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান এসটিএক্স। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর প্রায় সোয়া লাখ টন ওজনের জাহাজটির নির্মাণ শুরু করে এসটিএক্স। আড়াই হাজার শ্রমিকের এক কোটি কর্মঘণ্টায় শেষ হয় নির্মাণ কাজ।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদতরীর ভেতরের কিছু ছবি:

noname

 

harmony of the seas

 

slides_02

 

11

 

3416352600000578-3593094-Harmony_of_the_Seas_the_widest_cruise_ship_ever_built_boasts_18_-a-36_1463411282526

 

9

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, রয়টার্স।

আরও খবর পড়ুন:

/এএ/