মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, নান্নুর স্ত্রী সাহিদা হোসেন পল্লবী ও শাশুড়ি শান্তা পারভেজসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে খুন করার উদ্দেশ্যে ১১ জুন রাত সাড়ে ৩টার দিকে আফতাব নগরের নিজ ফ্ল্যাটে আগুনের ঘটনা ঘটায়। এই ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ জুন সকাল ৮ টা ২০ মিনিটে মারা যান নান্নু। ঘটনার বিষয়টি আত্মীয়-স্বজন ও নান্নুর সহকর্মী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় এসে এজাহার দিতে দেরি হয়েছে।
বাড্ডা থানার ওসি পারভেজ ইসলাম সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ২টা ২০ মিনিটে মামলাটি ৩০২ ও ৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেন। মামলা নম্বর ৩৮।
গত ১২ জুন শুক্রবার ভোররাতে রাজধানীর আফতাবনগরে নিজ ফ্ল্যাটে আগুনে পুড়ে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন মোয়াজ্জেম হোসেন নান্নু। আগুনে তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে যায়। পরদিন (১৩ জুন) শনিবার সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ফ্ল্যাটটির একই কক্ষে গত ২ জানুয়ারিতেও আগুন লেগেছিল। তখন দগ্ধ হয়ে মারা যান মোয়াজ্জেমের একমাত্র ছেলে স্বপ্নিল আহমেদ পিয়াস।
মোয়াজ্জেম হোসেন দৈনিক যুগান্তরের অপরাধ বিভাগের প্রধান ছিলেন। তিনি ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্র্যাব) সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
বাড্ডা থানার ওসি পারভেজ ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, নান্নুর মামলাটি তারা তদন্ত করবেন। এরপরই এই বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান।
আরও পড়ুন-
মারা গেলেন অগ্নিদগ্ধ সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন নান্নু
গ্যাস লাইনে লিকেজ, নিজ বাসায় দগ্ধ সাংবাদিক
সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন নান্নুর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের তদন্ত কমিটি