বিল-রিচার্জে টাকার টান পড়লে মিলবে ডিজিটাল ঋণ, সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা

গোলাম মওলা
০৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৩আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৩

সংসারের ছোটখাটো জরুরি খরচ মেটাতে হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হলেও অনেকের হাতে তখন পর্যাপ্ত নগদ থাকে না। বিশেষ করে মাসের শেষ দিকে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি কিংবা মোবাইল ফোনের বিল পরিশোধ অথবা প্রয়োজনীয় রিচার্জ করতে গিয়ে অনেককে পরিচিতজনের কাছ থেকে ধার করতে হয়। কেউ কেউ আবার ক্ষুদ্র ঋণের জন্য ব্যাংক বা অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হন। এবার এই ধরনের ছোট অঙ্কের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে ডিজিটাল মাধ্যমে ঋণের সুযোগ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন এই ব্যবস্থায় মোবাইল ব্যাংকিং বা ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে। ঋণ নেওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ঋণের ওপর কোনো সুদ আরোপ করা হবে না। তবে ঋণের পরিমাণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে সেবামূল্য নেওয়ার সুযোগ থাকবে ব্যাংকগুলোর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের খসড়া নীতিমালায় ক্ষুদ্র অঙ্কের এই ডিজিটাল ঋণ চালুর কথা বলা হয়েছে। জনসাধারণ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়ার জন্য খসড়াটি প্রকাশ করা হয়েছে। মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে।

কেন এই ক্ষুদ্র ঋণের উদ্যোগ

বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন দ্রুত বাড়লেও এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ দৈনন্দিন ছোটখাটো প্রয়োজন মেটাতে নগদ অর্থের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে মাসের শেষ দিকে হাতে নগদ টাকা না থাকলে বিদ্যুৎ বা অন্যান্য ইউটিলিটি বিল পরিশোধ কিংবা মোবাইল ফোনে রিচার্জ করা অনেকের জন্য সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিকল্পিত এই ব্যবস্থা মূলত সেই জায়গাটিই পূরণ করতে চায়। অর্থাৎ গ্রাহকের হাতে তাৎক্ষণিক নগদ টাকা না থাকলেও ডিজিটাল মাধ্যমে অল্প পরিমাণ অর্থ ধার নিয়ে প্রয়োজনীয় বিল বা রিচার্জ করা যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা দেশের নগদবিহীন অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার ব্যবহার বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

এটি বড় অঙ্কের ভোগ্যঋণ নয়; বরং দৈনন্দিন জীবনের খুব ছোট ও তাৎক্ষণিক আর্থিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য একটি স্বল্পমেয়াদি ঋণব্যবস্থা। ফলে ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা বা ব্যাংক থেকে প্রচলিত ঋণ নেওয়ার সুযোগ না পাওয়া অনেক মানুষও এর আওতায় আসতে পারেন।

৫০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ

খসড়া নীতিমালায় ঋণের পরিমাণ সর্বনিম্ন ৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঋণের অঙ্ক যত বাড়বে, নির্ধারিত সেবামূল্যও তত বাড়বে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫ টাকা সেবামূল্য; ২৫১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ১০ টাকা; ৫০১ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ১৫ টাকা; ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ২৫ টাকা; ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ৩৫ টাকা; ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০ টাকা সেবামূল্য নেওয়া যাবে।

অর্থাৎ কেউ সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা ঋণ নিলে ৩০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৫০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। এর বাইরে কোনো সুদ বা অতিরিক্ত চার্জ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

সুদ নেই, তবে সেবামূল্য থাকবে

প্রস্তাবিত ব্যবস্থার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো—ঋণের ওপর কোনো সুদ নেওয়া হবে না। এর পরিবর্তে ঋণের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত সেবামূল্য নেওয়া যাবে।

তবে ব্যাংকগুলো ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে পারবে না। অনুমোদিত সেবামূল্যের বাইরে সুদ, জরিমানা, প্রক্রিয়াকরণ ফি কিংবা অন্য কোনো অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া নিষিদ্ধ থাকবে।

এমনকি কোনো গ্রাহক নির্ধারিত ৩০ দিনের আগেই ঋণ পরিশোধ করে দিলে তার কাছ থেকে বাড়তি কোনো আগাম পরিশোধ ফি নেওয়া যাবে না।

এর ফলে ক্ষুদ্র ঋণের ক্ষেত্রে গ্রাহকের ওপর অতিরিক্ত খরচের চাপ কম থাকবে। একই সঙ্গে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও সেবাটি পরিচালনার একটি নির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি হবে।

পুরো প্রক্রিয়াই হবে ডিজিটাল

নতুন ব্যবস্থায় ঋণ নিতে গ্রাহককে ব্যাংকের শাখায় গিয়ে কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

কাগজে স্বাক্ষরের পরিবর্তে গ্রাহকের জীবমিতিক পরিচয় যাচাই এবং ডিজিটাল সম্মতি নেওয়া হবে। অর্থাৎ গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমেই ঋণের আবেদন, অনুমোদন, অর্থ ছাড় এবং পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।

এতে একদিকে যেমন সময় ও কাগজপত্রের ঝামেলা কমবে, অন্যদিকে ছোট অঙ্কের ঋণ দেওয়ার পরিচালন ব্যয়ও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

জরুরি সময়ে বড় সুবিধা হতে পারে

ধরা যাক, মাসের শেষ দিকে একজন গ্রাহকের হাতে নগদ অর্থ নেই। অথচ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের শেষ সময় চলে এসেছে। আবার কারও মোবাইল ফোনে জরুরি রিচার্জ প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে পরিচিতজনের কাছ থেকে টাকা ধার করা কিংবা কোনো অনানুষ্ঠানিক উৎস থেকে অর্থ নেওয়ার বদলে ডিজিটাল মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় অর্থ পাওয়া যেতে পারে।

বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য এই সুবিধা তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ সামলানোর একটি বিকল্প তৈরি করতে পারে।

এ ছাড়া ডিজিটাল লেনদেনের ইতিহাস তৈরি হওয়ার কারণে ভবিষ্যতে গ্রাহকের আর্থিক আচরণ মূল্যায়নের সুযোগও তৈরি হতে পারে। নিয়মিত ঋণ নিয়ে সময়মতো পরিশোধ করলে একজন গ্রাহকের আর্থিক সক্ষমতা ও পরিশোধের অভ্যাস সম্পর্কে ব্যাংকগুলোর কাছে তথ্য জমা হতে পারে।

নগদ অর্থের ব্যবহার কমানোর সুযোগ

বাংলাদেশে ডিজিটাল লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও দৈনন্দিন ছোটখাটো লেনদেনে নগদের ব্যবহার এখনো উল্লেখযোগ্য। বিল পরিশোধ ও মোবাইল রিচার্জের মতো প্রয়োজনীয় খরচও যদি ডিজিটাল ঋণের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যায়, তাহলে নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা আরও কমতে পারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যও হচ্ছে একটি আধুনিক ও কম নগদনির্ভর অর্থনীতি তৈরি করা। সেই বিবেচনায় ক্ষুদ্র ডিজিটাল ঋণব্যবস্থা ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিস্তারে নতুন একটি স্তর যোগ করতে পারে।

এতে শুধু ঋণ নেওয়াই নয়, ঋণ পরিশোধও হবে ডিজিটাল মাধ্যমে। ফলে একজন গ্রাহকের পুরো লেনদেন একটি ডিজিটাল ব্যবস্থার মধ্যে চলে আসবে।

তবে ঝুঁকিও রয়েছে

ক্ষুদ্র ঋণ সহজলভ্য হলে এর অপব্যবহারের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে একজন গ্রাহক যদি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বা বারবার ঋণ নিতে থাকেন, তাহলে অল্প অঙ্কের ঋণও একসময় বড় আর্থিক বোঝায় পরিণত হতে পারে।

কারণ ৫ হাজার টাকা খুব বড় ঋণ না হলেও একই ব্যক্তি যদি নিয়মিত একাধিকবার এই সুবিধা ব্যবহার করেন, তাহলে তার মোট দায় উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠতে পারে।

এ কারণে ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে গ্রাহকের পরিশোধ সক্ষমতা, আগের ঋণ পরিশোধের ইতিহাস এবং একই সময়ে অন্য কোনো ডিজিটাল ঋণ রয়েছে কি না—এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে গ্রাহক যেন সেবামূল্য, পরিশোধের সময়সীমা এবং ঋণ খেলাপি হলে কী হবে—এসব বিষয় সহজ ভাষায় বুঝতে পারেন, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা

বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ এখন মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল আর্থিক সেবা ব্যবহার করেন। কিন্তু তাদের অনেকেরই প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত ঋণ পাওয়ার সুযোগ নেই। বিশেষ করে খুব ছোট অঙ্কের প্রয়োজনের জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল।

সেই জায়গায় ৫০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকার এই ডিজিটাল ঋণব্যবস্থা একটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

কারণ এখানে ঋণের অঙ্ক ছোট, সময়সীমা মাত্র ৩০ দিন এবং আবেদন থেকে অর্থ গ্রহণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াই ডিজিটাল। ফলে ব্যাংক ও গ্রাহক—উভয়ের জন্যই এটি তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে।

খসড়া থেকে চূড়ান্ত নীতিমালার অপেক্ষা

তবে এখনই এই সুবিধা চালু হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে খসড়া নীতিমালা নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নিচ্ছে। মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে।

চূড়ান্ত নীতিমালায় ঋণ দেওয়ার যোগ্যতা, গ্রাহকের সীমা, ঋণ পরিশোধের পদ্ধতি, তথ্য সংরক্ষণ, গ্রাহক সুরক্ষা এবং ঋণ খেলাপি হলে করণীয়সহ বিভিন্ন বিষয় আরও স্পষ্ট হতে পারে।

সবকিছু ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ক্ষুদ্র অঙ্কের জরুরি আর্থিক প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ডিজিটাল সেবা হয়ে উঠতে পারে।

বড় ঋণ নয়, ছোট প্রয়োজনেই নজর

সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগকে বড় অঙ্কের ঋণ বিতরণের নতুন কোনো কর্মসূচি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যার লক্ষ্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ছোট কিন্তু জরুরি আর্থিক প্রয়োজন মেটানো।

হাতে টাকা না থাকলেও যাতে বিদ্যুৎ বিল, অন্যান্য ইউটিলিটি বিল কিংবা মোবাইল রিচার্জ আটকে না থাকে—সেই প্রয়োজন থেকেই এই উদ্যোগের পরিকল্পনা। সুদবিহীন এবং নির্ধারিত সেবামূল্যের এই ঋণব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা গেলে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ার পাশাপাশি ছোট অঙ্কের জরুরি অর্থের জন্য অনানুষ্ঠানিক ধারদেনার ওপর মানুষের নির্ভরতাও কমতে পারে।

তবে এর সফলতা নির্ভর করবে সহজলভ্যতার সঙ্গে দায়িত্বশীল ঋণ ব্যবস্থাপনা, গ্রাহক সুরক্ষা এবং অতিরিক্ত ঋণগ্রহণ ঠেকানোর কার্যকর ব্যবস্থার ওপর। কারণ ডিজিটাল ঋণের আসল সাফল্য শুধু কত টাকা বিতরণ হলো, তা দিয়ে নয়; বরং কত মানুষ নিরাপদে, স্বচ্ছভাবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারলেন—তার ওপরই নির্ভর করবে।

/ইউএস/
সম্পর্কিত
ব্যবসায়ীরা ঋণ নিচ্ছেন না, ব্যাংকেও নেই টাকা, কোথায় গেলো আমানত?
ব্যাংক ঋণের এক-তৃতীয়াংশই চুরি হয়ে গেছে: গভর্নর
দক্ষিণ এশিয়ায় চমক দেখালো টাকা
সর্বশেষ খবর
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল, যেভাবে পাওয়া যাবে
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল, যেভাবে পাওয়া যাবে
নিজ ভূমিতেই কেন পরবাসী আদিবাসীরা?
নিজ ভূমিতেই কেন পরবাসী আদিবাসীরা?
অবশেষে প্রকাশ্যে মোজতবা খামেনির ভিডিও
অবশেষে প্রকাশ্যে মোজতবা খামেনির ভিডিও
সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সর্বাধিক পঠিত
নতুন দায়িত্বে ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী
নতুন দায়িত্বে ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী
প্রদর্শনীতে মুজিব থাকলেও জিয়া না থাকার কারণ জানালেন জামায়াত আমির
প্রদর্শনীতে মুজিব থাকলেও জিয়া না থাকার কারণ জানালেন জামায়াত আমির
সাপে কামড়ের অ্যান্টিভেনম না দিয়ে অন্যত্র রেফার, পথে অ্যাম্বুলেন্সে বিএনপি নেতার মৃত্যু
সাপে কামড়ের অ্যান্টিভেনম না দিয়ে অন্যত্র রেফার, পথে অ্যাম্বুলেন্সে বিএনপি নেতার মৃত্যু
জামায়াত আমিরের বাসায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস উপস্থাপন নিয়ে বিতর্ক
জামায়াত আমিরের বাসায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস উপস্থাপন নিয়ে বিতর্ক
নাম বদলাচ্ছে র‌্যাব, পুরো নিয়ন্ত্রণ যাচ্ছে এক বাহিনীর কাছে
নাম বদলাচ্ছে র‌্যাব, পুরো নিয়ন্ত্রণ যাচ্ছে এক বাহিনীর কাছে