উচ্চ আয়ের করদাতাদের ওপর করহার বাড়ানো হলে পুঁজি পাচার বৃদ্ধি পেতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান টি রহমান। তিনি বলেন, “এতে সৎ করদাতারা নিরুৎসাহিত হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হবে।”
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।
কামরান টি রহমান জানান, দেশে এক কোটির বেশি কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাকলেও রিটার্ন জমা দেন অর্ধেকেরও কম করদাতা। এটিকে বড় দুর্বলতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “করহার বাড়ানোর পরিবর্তে করের আওতা সম্প্রসারণে জোর দিলে রাজস্ব আহরণে বেশি ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে।”
আলোচনায় এমসিসিআই পরিচালক হাসান মাহমুদ করপোরেট করহার আড়াই শতাংশ কমানোর দাবি জানান। একইসঙ্গে ন্যূনতম করহার বাতিলের প্রস্তাবও দেন তিনি।
এদিকে, নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন উইমেন এন্টারপ্রেনিউর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডব্লিউইএবি) নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানায়। সংগঠনটির সভাপতি নাসরিন ফাতেমা আউয়াল নারী উদ্যোক্তাদের জন্য তিন থেকে পাঁচ বছরের কর অবকাশ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি কর সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ আয়োজনের দাবিও তোলা হয়।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান প্রস্তাবগুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নির্দিষ্ট ভ্যাট হার চালুর প্রস্তাব দিয়ে বলেন, “এ ব্যবস্থা চালু হলে তাদের আর ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।”









