শর্তেই কি আটকে যাবে বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ

গোলাম মওলা
০৯ জুন ২০২৬, ২২:০০আপডেট : ০৯ জুন ২০২৬, ২২:০০

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা আবার চালু করা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে ৬০ হাজার কোটি টাকার ‘উৎপাদন ও কর্মসংস্থান পুনরুজ্জীবন’ প্যাকেজের আওতায় ২০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি মূলধনের সংকটে বন্ধ বা আংশিক সচল কারখানাগুলোকে পুনরায় উৎপাদনে ফিরিয়ে আনাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

তবে তহবিল ঘোষণার পরপরই এর বিভিন্ন শর্ত নিয়ে শিল্প খাতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ‘ক্লিন সিআইবি রিপোর্ট’, এক বছরের ঋণ মেয়াদ এবং ঋণ বিতরণের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন উদ্যোক্তারা। তাদের দাবি, যেসব প্রতিষ্ঠানকে বাঁচানোর জন্য এ উদ্যোগ, বাস্তবে সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় একটি অংশই এসব শর্ত পূরণ করতে পারবে না।

কী আছে তহবিলে

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, বন্ধ বা আংশিক সচল বৃহৎ শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে। গ্রাহক পর্যায়ে সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ছয় মাস থাকবে গ্রেস পিরিয়ড। তহবিলের অর্থ শ্রমিকদের বেতন-ভাতা, বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল পরিশোধ, কাঁচামাল সংগ্রহ এবং উৎপাদন কার্যক্রম সচল করতে ব্যবহার করা যাবে।

তবে ঋণ পাওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানকে খেলাপিমুক্ত হতে হবে। অর্থপাচার, ঋণ জালিয়াতি, তহবিল অপব্যবহার বা সিআইবিতে নেতিবাচক তথ্য থাকা কোনও প্রতিষ্ঠান এ সুবিধা পাবে না।

বিতর্কের কেন্দ্রে ক্লিন সিআইবি

তহবিল ঘোষণার পর ক্লিন সিআইবি নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। অনেক উদ্যোক্তা প্রশ্ন তুলেছেন, যে কারখানা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ, যার আয় নেই, নগদ প্রবাহ নেই— এমন একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করে ‘ক্লিন সিআইবি’ বজায় রাখবে?

একজন উদ্যোক্তা লিখেছেন, “প্রণোদনা প্যাকেজটি মূলত বন্ধ কারখানার জন্য। কিন্তু ক্লিন সিআইবির শর্ত দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি প্রতিষ্ঠানের কোনও রাজস্ব বা নগদ প্রবাহ না থাকলে তারা কীভাবে ঋণ খেলাপি হওয়া থেকে নিজেদের রক্ষা করবে? এতে পুরো প্যাকেজের উদ্দেশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়।”

এর জবাবে একজন শিল্প উদ্যোক্তা ও বিজিএমইএ’র বর্তমান নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ একটি পক্ষের প্রতিনিধি দাবি করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ শুধু গার্মেন্ট খাতের জন্য নয়, বিভিন্ন শিল্প খাতের জন্য উন্মুক্ত। তিনি বলেন, ‘‘একটি প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত সুবিধা নিতে পারবে এবং এসএমই প্রতিষ্ঠানগুলো অতিরিক্ত ৩ শতাংশ প্রণোদনাও পাবে। তার মতে, নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা উচিত।’’

তবে সমালোচকরা বলছেন, কাগজে-কলমে সুযোগ থাকলেও বাস্তবে কতগুলো ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান এই সুবিধা পাবে, সেটিই বড় প্রশ্ন। তাদের মতে, অতীতেও রফতানি প্রণোদনার বড় অংশ বড় প্রতিষ্ঠানগুলো পেয়েছে, ছোট উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ ছিল সীমিত।

শর্তে পুরো উদ্যোগই প্রশ্নবিদ্ধ

বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর লক্ষ্যে যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে ক্লিন সিআইবি রিপোর্টের শর্ত আরোপের ফলে পুরো উদ্যোগটিই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।’’

তার ভাষ্য, যে প্রতিষ্ঠান ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে, সেই প্রতিষ্ঠানের কাছে ক্লিন সিআইবি রিপোর্ট চাওয়া বাস্তবসম্মত নয়। কারণ আর্থিক সংকটেই অধিকাংশ কারখানা বন্ধ হয়েছে।

মোহাম্মদ হাতেমের মতে, বর্তমানে যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদের প্রতি বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। অনেক প্রতিষ্ঠান সামান্য নীতিগত সহায়তা পেলেই টিকে থাকতে পারে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কোনও প্রতিষ্ঠানের মাসিক কিস্তি যদি এক কোটি টাকা হয় এবং সে ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করতে পারে, তাহলে তাকে সেই সুযোগ দেওয়া উচিত। আবার উচ্চ সুদের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে কম সুদে ঋণ দিয়ে পুনরুদ্ধারের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।’’

তিনি বলেন, ‘‘সব প্রতিষ্ঠানের সমস্যা এক ধরনের নয়। তাই সবার জন্য একই ধরনের শর্ত আরোপ না করে সমস্যা অনুযায়ী সমাধান দিতে হবে। কোথাও কিস্তি পুনঃতফসিল, কোথাও সুদ কমানো, আবার কোথাও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সুবিধা কার্যকর হতে পারে।’’

ক্লিন সিআইবি থাকলে সংকটাপন্ন কারখানাই বাদ পড়বে

বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেলও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘ক্লিন সিআইবি রিপোর্টের শর্ত বহাল থাকলে প্রকৃত সংকটে থাকা অনেক প্রতিষ্ঠানই এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। তাই বাস্তবতা বিবেচনায় শর্ত শিথিল করা প্রয়োজন।’’

তার মতে, যেসব প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত সম্পদ রয়েছে এবং ব্যবসায়িক সম্ভাবনার কারণে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে, কেবল তাদেরই এ ধরনের পুনর্বাসন ঋণ দেওয়া উচিত। অন্যদিকে, যেসব প্রতিষ্ঠানের সম্পদ নেই এবং পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনাও নেই, তাদের নতুন ঋণ দিলে সেই অর্থ ফেরত পাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

মহিউদ্দিন রুবেল আরও বলেন, ‘‘প্রকৃত উদ্যোক্তারা যাতে এ সুবিধা পান, সেজন্য ব্যাংকভিত্তিক মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। একইসঙ্গে অর্থপাচার বা ঋণের অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর নজরদারি থাকতে হবে।’’

তার ভাষায়, “যে প্রতিষ্ঠান ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না এবং যার পর্যাপ্ত সম্পদও নেই, তাদের নতুন ঋণ না দিয়ে সুদ মওকুফ বা বিকল্প পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে ঋণ-সংকট থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ দেওয়া উচিত।”

একবছরের ঋণ মেয়াদ নিয়েও প্রশ্ন

উদ্যোক্তাদের আরেকটি বড় আপত্তি ঋণের মেয়াদ নিয়ে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রতিটি ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর হবে। প্রয়োজন হলে তা নবায়ন করা যাবে। শিল্পমালিকদের যুক্তি, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি কারখানা চালু করে উৎপাদন শুরু, ক্রেতা সংগ্রহ এবং বাজারে অবস্থান পুনরুদ্ধার করতে সময় লাগে। এমন পরিস্থিতিতে মাত্র একবছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধের চাপ অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য অবাস্তব হয়ে উঠতে পারে।

তাদের মতে, কোনও প্রতিষ্ঠান যদি একবছরের মধ্যেই পুরো ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা রাখে, তাহলে তার বিশেষ প্রণোদনা ঋণের প্রয়োজনীয়তাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “প্রণোদনা প্যাকেজের মূল উদ্দেশ্য হলো, সম্ভাবনাময় কিন্তু আর্থিক সংকটে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা। তবে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাও বিবেচনায় নিতে হয়। এ কারণেই পরিচ্ছন্ন সিআইবি রিপোর্টের বিষয়টি রাখা হয়েছে।’’

তবে বাস্তবতা হলো, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানেরই নিয়মিত নগদ প্রবাহ থাকে না। ফলে তাদের ঋণ শ্রেণিকৃত হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একক কোনও মানদণ্ড প্রয়োগ করলে প্রকৃত সংকটে থাকা অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান সুবিধার বাইরে থেকে যেতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের মতে— ‘‘শুধু সিআইবি রিপোর্ট নয়, প্রতিষ্ঠানের পুনরুদ্ধার সক্ষমতা, উদ্যোক্তার নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ, বাজার সম্ভাবনা এবং ব্যবসা পুনরায় চালুর বাস্তবসম্মত পরিকল্পনাও মূল্যায়নের আওতায় আনা উচিত। প্রয়োজনে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক মূল্যায়ন কাঠামো বা কিছু শর্ত শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “বন্ধ শিল্পকারখানাগুলোর পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ অবশ্যই ইতিবাচক। কিন্তু ক্লিন সিআইবি রিপোর্টের শর্ত বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ একটি কারখানা কয়েক বছর ধরে বন্ধ থাকলে তার আয়-রাজস্ব থাকে না, ফলে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করাও কঠিন হয়ে পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই অনেক প্রতিষ্ঠানের ঋণ শ্রেণিকৃত হয়ে যায়।’’

যদি কেবল ক্লিন সিআইবি থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোই প্রণোদনা পায়, তাহলে প্রকৃত অর্থে যেসব কারখানা পুনরায় চালুর জন্য সহায়তা প্রয়োজন, তাদের বড় একটি অংশ সুবিধার বাইরে থেকে যাবে। সেক্ষেত্রে প্যাকেজের মূল উদ্দেশ্যই আংশিকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

তার মতে, ‘‘ব্যাংকগুলোকে প্রকল্পভিত্তিক মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, উদ্যোক্তার সুনাম, বাজার চাহিদা, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা বিবেচনা করে শর্তসাপেক্ষে অর্থায়নের সুযোগ রাখা যেতে পারে। একইসঙ্গে সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক যদি আংশিক ঝুঁকি গ্যারান্টি দেয়, তাহলে ব্যাংকগুলোর পক্ষেও এসব প্রতিষ্ঠানে অর্থায়ন করা সহজ হবে।”

বাস্তবতা বনাম নীতিমালা

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগটি সময়োপযোগী এবং অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে সহায়ক হতে পারে। তবে এর সফলতা নির্ভর করবে বাস্তবায়ন কাঠামোর ওপর।

একদিকে অর্থপাচারকারী, ঋণ জালিয়াত এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বাইরে রাখা জরুরি। অন্যদিকে প্রকৃত সংকটে থাকা কিন্তু সম্ভাবনাময় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর শর্তের কারণে বাদ দিলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।

তাদের মতে, ঋণগ্রহীতাদের তিনটি ভাগে বিভক্ত করে মূল্যায়ন করা যেতে পারে— যারা সহজে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে, যারা নীতিগত সহায়তা পেলে টিকে যাবে এবং যারা আর পুনরুদ্ধারযোগ্য নয়। এই তিন শ্রেণির জন্য তিন ধরনের নীতি গ্রহণ করা হলে তহবিলের কার্যকারিতা বাড়বে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এখন দেখার বিষয় হলো— বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত এ ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল বাস্তবে কতগুলো বন্ধ শিল্পকারখানাকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে, আর কতগুলো প্রতিষ্ঠান কেবল শর্তের বেড়াজালে আটকে যায়।

/এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন শিল্প মালিকরা
রফতানি প্রণোদনায় বড় চমক: এক লাফে ৩১০০ কোটি টাকা পরিশোধ
বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগে বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের পরিকল্পনা
সর্বশেষ খবর
সচিবালয়ে টেলিফোন তার চুরির পর এবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ল্যাপটপ চুরি
সচিবালয়ে টেলিফোন তার চুরির পর এবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ল্যাপটপ চুরি
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে আইনি নোটিশ
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে আইনি নোটিশ
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
একনজরে আজকের আলোচিত খবর
পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সহিংসতার নেপথ্যে কী
কী, কেন, কীভাবেপাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সহিংসতার নেপথ্যে কী
সর্বাধিক পঠিত
বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম
বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম
যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে
যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে
‘শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা’
‘শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা’
ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে আর্থিক অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে আর্থিক অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রথম প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে করছাড়
প্রথম প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে করছাড়