সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিহত রায়হান আহমদ হত্যা মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) আট সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সোমবার (২ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার খালেকুজ্জামান।
পিবিআই পুলিশ সুপার খালেকুজ্জামান জানান, আক্রান্তদের মধ্যে পিবিআইয়ের পাঁচ পুলিশ পরিদর্শক, সহকারী পুলিশ পরিদর্শক একজন এবং দুজন কনস্টেবল রয়েছেন। এছাড়া এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মুহিদুল ইসলামও আক্রান্ত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে তাদের চিকিৎসা চলছে। আক্রান্তদের মধ্যে তিন জন পুলিশ পরিদর্শক হাসপাতালে এবং আরও দুজন হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।’
গত ১৩ অক্টোবর পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে মামলাটির তদন্তভার কোতয়ালি থানা পুলিশের কাছ থেকে পিবিআইতে স্থানান্তরিত হয়। আলোচিত মামলাটি তদন্ত করার জন্য পিবিআই কয়েকজন চৌকিস অফিসারকে দিয়ে একটি তদন্ত দল গঠন করে।
জানা যায়, আলোচিত এই হত্যা মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এসআই আকবর পলাতক থাকলেও কারাগারে রয়েছেন কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস, কনস্টেবল হারুনুর রশীদ ও নিহত রায়হানকে ছিনতাকারী হিসেবে অভিযোগকারী শেখ সাইদুর রহমান। এছাড়াও পিবিআইতে রিমান্ডে রয়েছেন এএসআই আশেক এলাহি।
আরও পড়ুন:
বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অনশনে রায়হানের মা
পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হানকে হত্যা: কনস্টেবল হারুনের ৫ দিনের রিমান্ড
দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত: ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতেই রায়হানের মৃত্যু
আকবরকে পালাতে সহযোগিতা করায় আরেক এসআই বরখাস্ত
রায়হান হত্যার সুষ্ঠু বিচার হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
স্পন্সরশিপ পেয়েছিলেন রায়হান, নভেম্বরেই দাঁড়ানোর কথা ছিল ভিসার জন্য
রায়হানের দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন
কবর থেকে রায়হানের লাশ তুলেছে পিবিআই
এসআই আকবরের টর্চার সেলের নাম ‘ভিআইপি রুম’!
রায়হানের লাশ তুলে ফের ময়নাতদন্ত করবে পিবিআই
পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃত্যু: ৪ পুলিশ বরখাস্ত, ৩ জনকে প্রত্যাহার
পুলিশ হেফাজতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা
গণপিটুনির প্রমাণ মেলেনি সিসিটিভি ফুটেজে, দাবি কাউন্সিলরের
পুলিশ হেফাজতে যুবককে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ








