বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নাটোরের এক শিক্ষার্থীকে মারপিট, স্থানীয় সংসদ সদস্যের (এমপি) বাসায় আটক এবং পরদিন শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে ওই রুমে আগুন দিয়ে তাকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে নাটোর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। মামলায় শেখ হাসিনা, নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনের এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলসহ ১১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নাটোর শহরের মল্লিকহাটী মহল্লার বাসিন্দা ফজের আলী রবিবার দুপুরে অভিযোগটি দায়ের করার পর রাতে মামলাটি নথিভুক্ত হয়।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে আছেন– নাটোর পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি উমা চৌধুরী জলি, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নাটোর জজকোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, নাটোর কোর্টের পিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট মালেক শেখ, যুবলীগ সভাপতি বাশিরুর রহমান খান চৌধুরী এহিয়া, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও নাটোর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রনজান, নলডাঙ্গা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে ফজের আলী দাবি করেন, তার ছেলে ইয়াসিন ইসলাম (১৭) বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ৪ আগস্ট শহরের মাদ্রাসামোড় এলাকায় অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অবস্থান করছিল। সে সময় শেখ হাসিনার নির্দেশে এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলসহ জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে মারপিট করে এমপির বাড়িতে আটকে রাখে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ইয়াসিনকে আটকে রাখা রুমে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় আসামিরা।
ওসি মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগটি তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









