একাত্তরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতনকারীরা নবরূপে এসে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে: সালাহ উদ্দিন

কক্সবাজার প্রতিনিধি
৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৪৮আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭:১৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘একাত্তরে যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন করেছিল তারাই আবার নবরূপে ফিরে এসে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে।’ তাদের হাতে দেশের সব নাগরিক নিরাপদ কিনা, দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন রাখেন সালাহ উদ্দিন।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে নিজ নির্বাচনি এলাকা কক্সবাজারের পেকুয়া সদরের বিশ্বাসপাড়ায় হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি ধর্মভিত্তিক দলের হাতে এ দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হতে হয়েছিল, ত্যাগ শিকার করতে হয়েছিল, যা সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের পূর্ব পুরুষরা জানেন। যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি কিংবা স্বাধীনতা চায়নি, তারাই সনাতনী ভাইবোনদের ওপর এমন নির্যাতন করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির শাসন আমলে এ দেশের সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ছিল। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি দেশের সব মানুষকে নিয়ে, যারাই এই ভূখণ্ডে বসবাস করেন, তাদের সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। আমরাও কোনও ধরনের জাতি বিভক্তি, ধর্মীয় বিভক্তি কিংবা বর্ণ বিভক্তি চাই না– আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশি হিসেবে বসবাস করতে চাই।’

এ সময় পেকুয়া উপজেলা বিশ্বাসপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দময় বিশ্বাস তিলকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন– পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট, বিশ্বাসপাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক রমেশ বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুমন বিশ্বাস, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অংতোয়াইচিং রাখাইন, বারবাকিয়া লোকনাথ মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিপন কান্তি নাথ, বারবাকিয়া সর্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিতোষ নাথ, ‍শিলখালী বিষ্ণু মন্দিরের সভাপতি মাস্টার অনিল কান্তি শিলসহ অনেকে।

/এমএএ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
শেখ হাসিনা রাজনীতিতে লাশের সংস্কৃতি চালু করেছিলেন: রিজভী
জামায়াত বেশি বাড়াবাড়ি করলে ইনু-মেননের মতো অবস্থা হবে: নুরুল আমিন
ট্রাম্প চেয়েছেন বলে আমরা ১৪টি বোয়িং কিনছি, এয়ারবাসও কিনবো: বিমানমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
ফটোশুটে দুই সাবেকের রসায়ন, আর ঝগড়া করবেন না দেব-শুভশ্রী
ফটোশুটে দুই সাবেকের রসায়ন, আর ঝগড়া করবেন না দেব-শুভশ্রী
ইরানি স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, নিশ্চিত করলো সেন্টকম
ইরানি স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, নিশ্চিত করলো সেন্টকম
‘দস্যুমুক্ত’ সুন্দরবন ঘোষণার ৮ বছর পর ৫২ দস্যুর আত্মসমর্পণের কথা জানালো র‌্যাব
‘দস্যুমুক্ত’ সুন্দরবন ঘোষণার ৮ বছর পর ৫২ দস্যুর আত্মসমর্পণের কথা জানালো র‌্যাব
আগস্টে রফতানি আয় বেড়েছে ১৩.১৪ শতাংশ
আগস্টে রফতানি আয় বেড়েছে ১৩.১৪ শতাংশ
সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশ-পাকিস্তানে এলএনজি সরবরাহ বাতিল করলো কাতারএনার্জি
বাংলাদেশ-পাকিস্তানে এলএনজি সরবরাহ বাতিল করলো কাতারএনার্জি
নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা যেসব সুবিধা পাবেন
নতুন পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা যেসব সুবিধা পাবেন
এক জেলার ২ এসিল্যান্ডসহ ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ
এক জেলার ২ এসিল্যান্ডসহ ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ
স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ৩ মিনিটে ৮১ বার ‘স্যার’ ডাকলেন সিভিল সার্জন
স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ৩ মিনিটে ৮১ বার ‘স্যার’ ডাকলেন সিভিল সার্জন
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে প্রণোদনা পাবেন বাড়িওয়ালা, প্রজ্ঞাপন জারি
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে প্রণোদনা পাবেন বাড়িওয়ালা, প্রজ্ঞাপন জারি