নেশার ঘোরে বন্ধু আরিফুর রহমান অপিকে (২২) ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেন সোলায়মান লিমন (২২)। আর ভাটার টানে নদীতে ভেসে মৃত্যু হয় আরিফুরের। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের এ ঘটনায় সোলায়মানকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮। রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৮ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার শহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
গ্রেফতার সোলায়মান মির্জাগঞ্জ উপজেলার চরখালী গ্রামের মো. সালাম মুশুলীর ছেলে। তিনি মির্জাগঞ্জের সুবিদখালী সরকারি কলেজর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।
সোলায়মানের বরাত দিয়ে এ র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘আরিফুর এবং সোলায়মানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। তারা তিন বছর আগে থেকেই নেশায় আসক্ত। গত ২৮ ডিসেম্বর মির্জাগঞ্জ উপজেলা রানীপুর গ্রামের সোলায়মানের বাড়ি চরখালীতে যান বন্ধু আরিফুর। বিকালে আরিফুর, সোলায়মান ও এলাকার ছোট ভাই সাব্বির পায়রা নদীর পাড়ে ঘুরতে যান। সেখানে আরিফুর ও সোলায়মান নেশা করেন। পরে দ্বিতীয় ধাপে সোলায়মান ফের নেশা করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে নেশার ঘোরে আরিফুরকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেন সোলায়মান। এ সময় সাব্বির আরিফুরকে ওপরে তোলার চেষ্টা করলেও সোলায়মান দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে ভাটার টানে নদীতে ভেসে যান।’
র্যাব কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আরিফুরের বাবা আলতাফ হোসেন খোঁজাখুঁজির পর ছেলেকে না পেয়ে ৩০ ডিসেম্বর মির্জাগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি পায়রা নদী থেকে আরিফুরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই আরিফুরের বাবা কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় র্যাব-৯, সিপিপি-১-এর সহায়তায় হবিগঞ্জের শাহজাহানপুর ইউনিয়নে অভিযান চালায় র্যাব-৮-এর সদস্যরা। এ সময় ওই ইউনিয়নের গজপুর গ্রাম থেক লিমনকে গ্রেফতার করা হয়। লিমন হত্যার ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন।








