গত কয়েক বছরের মতো চলতি বছরও বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫; উভয় ক্ষেত্রেই এগিয়ে আছে মেয়েরা। তবে এ বছর পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এছাড়া পাঁচটি বিদ্যালয় থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।
এসএসসি পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ হাজার ৫১৫টি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮০ হাজার ৪৫৮ জন শিক্ষার্থী। পাস করেছে ৪৮ হাজার ৫৫৫ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ২৮ হাজার ৬০০ জন এবং ছাত্র ১৯ হাজার ৯৫৫ জন।
সাধারণ এই শিক্ষাবোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৮৫ জন ছাত্রী এবং ১ হাজার ১৯৩ জন ছাত্র।
এ বছর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছে ২৩ হাজার ৮৬৭ জন। পাস করেছে ২০ হাজার ৪৬ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ১১ হাজার ১৩৯ জন এবং ছাত্র ৮ হাজার ৯০৭ জন। মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছে ৪৮ হাজার ৪৫০ জন। পাস করেছে ২৩ হাজার ৯০৭ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ১৫ হাজার ৪৪৩ জন এবং ছাত্র ৮ হাজার ৪৬৪ জন। আর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে অংশ নিয়েছে ৮ হাজার ১৪১ জন। পাস করেছে ৮ হাজার ৬০২ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ২ হাজার ১৮ জন এবং ছাত্র ২ হাজার ৫৮৪ জন।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৬ জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে পটুয়াখালী জেলা। ওই জেলার ২৭৩টি বিদ্যালয় থেকে ১১ হাজার ৩০৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৮ হাজার ৫৮২ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪২৮ জন।
এরপর বরগুনা জেলার ১৬০টি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৬ হাজার ৪২৩ জন। পাস করেছে ৫ হাজার ২৫২ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৪৮ জন।
বরিশালের ৪৩৪টি বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে ২০ হাজার ৩৪৭ জন। পাস করেছে ১৬ হাজার ৫৪ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২৭৫ জন।
পিরোজপুরের ২৫৪টি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিয়েছে ৮ হাজার ৮৯ জন। পাস করেছে ৬ হাজার ৯৬২ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪৬ জন।
ভোলা জেলার ২২১টি বিদ্যালয় থেকে এ বছর পরীক্ষা দিয়েছে ১১ হাজার ২৫৭ জন। পাস করেছে ৭ হাজার ৬২৫ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪০ জন।
ঝালকাঠিতে ১৭৩টি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিয়েছে ৫ হাজার ৩০৬ জন। পাস করেছে ৪ হাজার ৮০ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪১ জন।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাঁচটি বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩৩ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে একজনও পাস করতে পারেনি।
একইভাবে অপর সাতটি বিদ্যালয় থেকে ১২৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ১০ জন। এর মধ্যে পাঁচটি বিদ্যালয় থেকে একজন করে এবং দুটি বিদ্যালয় থেকে দুই ও তিনজন করে পরীক্ষার্থী পাস করেছে।








