ফেনীতে কত জন ব্যক্তি করোনা টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কোনও তথ্য জানাতে পারেনি ফেনী স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। এই অবস্থায় নিবন্ধন করা ব্যক্তিরা কবে নাগাদ টিকা নিতে পারবেন তা জানতে পারছেন না তারা। এ পরিস্থিতিতে আগামীকাল রবিবার জেলা ও উপজেলার ১৯ বুথে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে।
ফেনী সদর হাসপাতাল ও দাগনভূঞা উপজেলাসহ ৫ উপজেলার টিকা কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার ও শনিবার দুটি তথ্য সেবাকেন্দ্র থেকে এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধনকারীদের সহযোগিতা করা হয়েছে। কিন্তু, এই ৫ উপজেলার কর্মকর্তারা জানেন না কতজনের নিবন্ধন হয়েছে।
সিভিল সার্জন মোবারক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্র থেকে ৫৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক এবং ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে সংযুক্ত জনপ্রতিনিধি ও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিবন্ধন করা হচ্ছে। কিন্তু এ পর্যন্ত কতজন নিবন্ধন করেছেন, তা জানা যাচ্ছে না। এটা কেন্দ্রীয়ভাবে জানা যাবে।’
তিনি বলেন, আমার জেলায় কোন দিন কে কোন কেন্দ্রে টিকা নেবেন, তার কোনও তালিকা এখনও পাইনি। তবে দিনে ২ হাজার আট শত মানুষকে টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের আছে।
নিবন্ধনের ব্যাপারে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলার উপজেলা পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, কতজন নিবন্ধন করেছেন এটা জানতে পারলে প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হতো।
তারা বলেছেন, নিবন্ধনের বিষয়ে জানতে জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তাদের একটি পাসওয়ার্ড দেওয়ার কথা। সেটা তারা পাননি।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২৫০ শয্যার ফেনী জেনারেল হাসপাতালের আটটি, পাঁচটি উপজেলায় দুটি করে ১০টি ও ফেনী পুলিশ লাইনে একটিসহ মোট ১৯টি বুথে করোনা টিকা দেওয়া হবে। প্রতিটি বুথে ১৫০ জনকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। এ হিসেবে জেলায় প্রতিদিন টিকা দেওয়া যাবে দুই হাজার ৮৫০ জনকে। চাহিদা থাকলে বুথ আরও বাড়ানো হবে।









