ডাকাতি প্রতিরোধে জঙ্গল পরিষ্কার, পাওয়া গেলো বিছানা-বালিশ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
১৯ মে ২০১৯, ১১:৪৪আপডেট : ১৯ মে ২০১৯, ১১:৪৪

ডাকাতি প্রতিরোধে মহাসড়করে পাশের জঙ্গল পরিষ্কার করছে পুলিশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সোনারগাঁয়ের সোনাখালী থেকে মেঘনা সেতু পর্যন্ত প্রায়ই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা রাস্তার পাশের বিভিন্ন বন জঙ্গলে লুকিয়ে থেকে হঠাৎ করে রাস্তায় এসে ডকাতি করে দ্রুত সটকে পড়ে। তাই ঈদকে সামনে রেখে ডাকাতি রোধে সোনারগাঁ থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা  মহাসড়কের পাশের বন জঙ্গল পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেয়। পরিষ্কার করার সময় জঙ্গলের ভেতর থেকে ডাকাতদের ব্যবহৃত বিছানা ও বালিশসহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশ।

শুক্রবার (১৭ মে) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন ব্রিজের ঢালুতে গড়ে ওঠা জঙ্গলগুলো পরিষ্কার করার জন্য সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে যায় সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ। এ বিষয়ে এসআই আজাদ জানান, এসব জঙ্গলে আস্তানা গেড়ে লুকিয়ে থেকে ডাকাতরা  রাতে বেলায় মহাসড়কে যানজটে আটকা পড়া বাসে ডাকাতি করে পালিয়ে যায়।

মহাসড়কের দুই পাশের জঙ্গল পরিষ্কার করা হচ্ছে

তিনি বলেন,‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রাতের বেলায় বিভিন্ন সময় যানজট সৃষ্টি হয়। ওই সময় আটকা পড়া বিভিন্ন যানবাহনে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। মহাসড়কের ঢালু ও ব্রিজের নিচে গড়ে ওঠা জঙ্গলের লুকিয়ে থেকে ডাকাত ও ছিনতাইকারীরা বাসের যাত্রীদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা, মোবাইফোন ও স্বর্ণালংকারসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুটে নেয়। এজন্য সড়ক পথে জনগণের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মোগরাপাড়া মেনিখালী ব্রিজের নীচ থেকে পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংযোগ সড়ক পর্যন্ত জঙ্গল পরিষ্কার করেছি। এতে ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধ করা সহজ হবে।’ তিনি আরও বলেন,‘জঙ্গল পরিষ্কার করার সময় মেনিখালী ব্রিজের নীচে জঙ্গল পরিষ্কার করতে গিয়ে ডাকাত ও ছিনতাইকারীদের ব্যবহৃত বিছানা, বেডশিট ও বালিশ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাত বা ছিনতাইকারীরা রাতে জঙ্গলে লুকিয়ে থাকার জন্য এগুলো ব্যবহার করতো।

সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক ওসি মনিরুজ্জামান জানান, মহাসড়কে আটকে থাকা যানবাহনে প্রায়ই ডাকতি হয়। বন জঙ্গলে লুকিয়ে থেকে প্রায়ই নিরব সড়কে অথবা টহল পুলিশ দূরে চলে গেলে ডাকাত ও ছিনতাইকারিরা দ্রুত মানুষের মালামাল লুট করে পালিয়ে গেছে। ডাকাতি রোধে পুলিশ মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠা বন জঙ্গল পরিষ্কার করেছে।

 

/জেবি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সান মারিনোর বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে আনতে চায় বাংলাদেশ 
সান মারিনোর বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে আনতে চায় বাংলাদেশ 
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী