মহাসড়কের পাশে কেটে রাখা গাছের চাপায় শিশুর মৃত্যু

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
৩১ মে ২০২২, ১৬:৩৬আপডেট : ৩১ মে ২০২২, ১৬:৩৬

রাজবাড়ীর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে কেটে রাখা গাছের চাপায় চুমকি আক্তার (১২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মে) দুপুর ১২টায় গোয়ালন্দ উপজেলার রমজান মাতব্বর পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

চুমকি উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের রমজান মাতুব্বার পাড়া গ্রামের খোকন শেখের মেয়ে। সে স্থানীয় নবুওসিমদ্দিন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক সম্প্রসারণের জন্য গাছ কেটে সড়কের পাশের স্তূপ করে রাখে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য থেকে চিকন একটি গাছের ডাল কিছুটা বের হয়ে ছিল। সেই ডালটি বের করার জন্য টান দেয় চুমকি। এ সময় গাছের বড় একটি গুঁড়ি গড়িয়ে পড়ে। এর নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় সে। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবুল হোসেন বলেন, ‘গাছ কাটা ও তা স্তূপ করে রাখার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল।’

গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. শাহ মো. শরীফ জানান, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পায় শিশুটি। তাকে চিকিৎসা প্রদানের পাশাপাশি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল। এ অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম কুদ্দস ভুঁইয়া বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমরা মূলত সড়কের পাশের গাছগুলো নিলামের মাধ্যমে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি। সড়কে সতর্কতার সঙ্গে গাছ কাটা হচ্ছে। যানবাহন চলাচল করায় গাছগুলো কেটে সড়কের পাশে রাখছে। গাছ বহনের জন্য সব সময় ট্রাকে করে প্রথমে গাছের ডালপালা নেওয়া হচ্ছে, এরপর বড় গাছের গুঁড়ি নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুনেছি, ওই শিশু ফেলে রাখা গাছের নিচ থেকে ছোট একটি ডাল বের করতে যায়। এ সময় গাছটি গড়িয়ে সড়কের নিচে পড়ে। এতে সে আর সরতে পারেনি। গাছের নিচে পড়ে মারা গেছে।’

/এসএইচ/
সম্পর্কিত
ডাকবাংলোতে মা ও দুই শিশুসন্তানের লাশ, কীভাবে হলো মৃত্যু?
জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে মা ও দুই শিশুর লাশ
অবহেলায় ৬ শিশু মারা গেছে, মনে হয় না ছাড় পাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
খাগড়াছড়িতে ব্যাপক পর্যটক সমাগম, খুশি ব্যবসায়ীরা
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: সোহেল রানার জবানবন্দিতে যা উঠে এলো
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
নকিব মুকশির নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিনুকধানী’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের