সুন্দরবনের সোনামুখী নদীর কেয়াখালী খালে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। তার নাম রবিউল ইসলাম রবি (২৪)। পুলিশের দাবি রবিউল দস্যু বাহিনীর প্রধান ছিলেন। রবিবার ভোরে খুলনার কয়রা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের এএসআই লুৎফর রহমান,কনস্টেবল সাইফুল্লাহ ও বিশ্বনাথ আহত হয়েছে।তাদের কয়রার জায়গীর মহল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খুলনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রশীদ বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান,এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি পয়েন্ট ২২ বোর রাইফেল, পাঁচ রাউন্ড গুলি,বন্দুকের গুলি দুই রাউন্ড, হরিণের চারটি চামড়া ও দুটি শিং,একটি রামদা ও একটি ছুড়ি উদ্ধার করা হয়।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)শমসের আলী জানান,শনিবার রাতে রবিউল তার বাহিনী নিয়ে সোনামুখী নদীর পাড়ে বৈঠক করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযানে যায়।ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌছালে দস্যু বাহিনীর সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।পাল্টা জবাবে পুলিশও গুলি ছোড়ে।এক পর্যায়ে দস্যু বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ একটি লাশ উদ্ধার করে। পরে স্থানীয় জেলেরা রবিউলের লাশটি সনাক্ত করে।
তিনি আরও জানান,রবিউলের নামে কয়রা থানায় ৮টি মামলা রয়েছে।এর মধ্যে অস্ত্র আইনে ৩টি,ডাকাতির ঘটনায় ৪টি ও বন আইনে ১টি মামলা রয়েছে। রবিউল কয়রা উপজেলার মহারাজপুর এলাকার বাসিন্দা।
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন বরগুনায় কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানির চেষ্টা, আটক ১
/এমডিপি/







