সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী প্রজনন মৌসুমে তিন মাস পরজীবীসহ সব ধরনের পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ সময়ে প্রাণ ফিরে পেয়েছে বন্যপ্রাণীরা। গত বৃহস্পতিবার সকালে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্দারমানিক টহল ফাঁড়ি ও ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র এলাকায় প্রাপ্তবয়স্ক একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার গোরাঘুরি করতে দেখেছেন বনকর্মীরা।
এ সময় দূর থেকে একজন বনরক্ষী মোবাইলে ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ধারণ করেন। বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরী বিষয়টি জানান।
তিনি বলেন, ‘বাঘটি ওই এলাকায় প্রায় ১৫ মিনিট অবস্থান করে ঘুরে ফিরে আবার গহীন বনে চলে যায়। ঘটনার সময় টহল ফাঁড়ির একজন বনরক্ষী বাঘটিকে দেখতে পেয়ে দ্রুত বন অফিসের মধ্যে ঢুকে পড়েন। পরে বাকি বনরক্ষীরা নিরাপদে বন অফিসে আশ্রয় নেন।’
ভিডিওতে দেখা যায়, হঠাৎ একটি বাঘ বনের গহীন থেকে আন্দারমানিক টহল ফাঁড়ির মধ্যে ঢুকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছে। এক পর্যায়ে বাঘটি ঘুরতে ঘুরতে আন্দারমানিক ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রের পাশ দিয়ে আবার বনে ফিরে যায়।
এর আগে হরিণ শিকারিদের ফাঁদে আটকা পড়ে আহত একটি বাঘিনীকে উদ্ধরের পর ছয় মাস চিকিৎসা শেষে ১২ জুন আন্দারমানিক এলাকায় অবমুক্ত করা হয়।
এ বিষয়ে বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ‘সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন মৌসুম চলায় ১ জুন থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের সব ধরনের বনজীবী ও পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে। এ সময় সুন্দরবনে লোকজনের কোলাহল না থাকায় বন্যপ্রাণীরা অবাধে ঘুরছে-ফিরছে। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার আন্দারমানিক বন অফিসের কম্পাউন্ডে ঘুরে ফিরে আবার বনে ফিরে যায়।’









