ময়মনসিংহে বিএনপির বিভাগীয় কর্মসূচি উপলক্ষে শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) রাত থেকেই সমাবেশস্থলে অবস্থান নিয়েছেন নেতাকর্মীরা। সমাবেশে অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত করা হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে রাতেই হাজারো নেতাকর্মী নগরীর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট মাঠে আসতে শুরু করেন। এদিকে শনিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, সমাবেশে আসা বাধাগ্রস্ত করতে গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরেও তারা বিভিন্নভাবে, অটোরিকশায় করে ও পায়ে হেঁটে সমাবেশে এসেছেন।
সমাবেশে ময়মনসিংহের আশপাশের শেরপুর, নেত্রকোনা, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল জেলার নেতাকর্মীরা অংশ নিচ্ছেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান প্রশাসনের মৌখিক অনুমতি পাওয়ার পর শুক্রবার রাত আটটার পর পলিটেকনিক মাঠে সমাবেশস্থলে মঞ্চ তৈরিসহ অন্যান্য কাজ শুরু হয়।
এদিকে সড়কে গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, জামালপুর এবং শেরপুর থেকে শতাধিক ট্রলারে করে শুক্রবার রাতেই নেতাকর্মীরা ময়মনসিংহের জন্য রওনা হন। সকালে ময়মনসিংহে পৌঁছে পায়ে হেঁটে সমাবেশস্থলে আসেন তারা।
সমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির সমন্বয়ক বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, সার্কিট হাউজ মাঠের অনুমতি না পাওয়ায় প্রশাসনের মৌখিক নির্দেশে পলিটেকনিক মাঠে গণসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাত আটটার পর সমাবেশেস্থলে মঞ্চ তৈরিসহ অন্যান্য কাজ শুরু করেন নেতাকর্মীরা।
তিনি অভিযোগ করেন, শুক্রবার দুপুরের পর থেকেই ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন জেলায় সব ধরনের পরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জেলা থেকে যে যেভাবে পারছেন, সেভাবেই রাত থেকে আসা শুরু করেছেন।
তিনি আরও বলেন, সমাবেশ ও কর্মসূচি পণ্ড করতে শুক্রবার রাতে নগরীর টাউন হল এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগ হামলা চালায় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।








