স্কুলছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা: ছুরিকাঘাতে মামা ও গণপিটুনিতে অপহরণকারী নিহত

Send
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১০:১১, আগস্ট ২৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩২, আগস্ট ২৪, ২০১৯

চুয়াডাঙ্গায় গ্রামবাসীর পিটুনিতে অপহরণকারী নিহতচুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ চেষ্টার সময় দুই জন নিহত হয়েছেন। বাধা দিতে গেলে অপহরণকারীর ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্রীর মামা হাসানুজ্জামান হাসান (২৪) নিহত হন। পরে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে অপহরণকারী আকবার আলী (৩২) মারা যায়। শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হাসানুজ্জামান হাসান সদর উপজেলার আমিরপুর গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে। অপহরণকারী আকবার আলী দামুড়হুদা উপজেলার মদনা-পারকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মদনা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে আকবার আলী সদর উপজেলার আমিরপুর গ্রামের হামিদুল ইসলামের বাড়িতে বেড়া ভেঙে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে। এরপর হামিদুল ইসলামের নাতি এবং নিলমনিগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া খাতুনকে (১৩) অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় সুমাইয়া চিৎকার দিলে পাশের ঘরে থাকা তার মামা হাসানুজ্জামান হাসান এগিয়ে এসে বাধা দেন। হাসান ও সুমাইয়াকে এসময় ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করে আকবার। আহতদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে অপহরণকারী আকবার আলীকে ধরে ফেলে গণপিটুনি দেয়। পিটুনিতে সে মারা যায়। স্থানীয়রা আহত হাসান ও সুমাইয়াকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার জন্য রওনা হয়। পথে ভোর ৪টার দিকে হাসান মারা যান।

খবর পেয়ে শনিবার ভোরে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আকবার আলী ও হাসানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

মোমিনপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে আকবার আলী নিলমনিগঞ্জে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করে আসছিল। শুক্রবার রাতে সে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আমি শুনেছি।’ তবে কেন সে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা করেছিল সেব্যাপারে এখই কিছু বলতে পারছেন না বলে জানান চেয়ারম্যান।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (তদন্ত) লুতফুল কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

 

 

/এফএস/

লাইভ

টপ