উপাচার্যের ‘হাজিরা খাতার’ বিলবোর্ড

Send
রংপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১০:৫০, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৪, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০

উপাচার্যের ‘হাজিরা খাতার’ বিলবোর্ডবেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবনের সামনে শেখ রাসেল চত্বরে ‘হাজিরা খাতা’ নামে একটি বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষকদের সংগঠন ‘অধিকার সুরক্ষা পরিষদ’ বৃহস্পতিবার বিকালে এই বোর্ড স্থাপন করেছে। সেখানে লেখা হয়েছে ‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর হাজিরা খাতা’। সেখানে আরও লেখা হয়েছে, ‘উপাচার্যের এ বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগদানের দিন সংখ্যা হলো ৯৭৯দিন। এর মধ্যে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন ৭৫২ দিন। উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২২৭দিন।’ বোর্ডটিতে দৈনিক উপস্থিতিও রাখা হয়েছে।

বোর্ড স্থাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন অধিকার সুরক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মতিউর রহমান, সংগঠনের সদস্য-সচিব ও ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারি অধ্যাপক খায়রুল কবীর সুমন, শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সাবেক সভাপতি বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এইচ এম তারিকুল ইসলাম,  সহযোগী অধ্যাপক ড. বিজন মোহন চাকী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আসাদ মণ্ডল, সহকারী অধ্যাপক সাব্বীর আহমেদ চৌধুরী, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নুরুজ্জামান খান, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন  প্রমুখ।

এসময় অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান বলেন, ‘উপাচার্যের অনেকগুলো অনিয়ম দুর্নীতির মধ্যে একটি হলো বিশ্ববিদ্যালয়ে তার অনুপস্থিতি। উপাচার্য কী পরিমাণ অনুপস্থিত থাকলে তাকে উপস্থিত রাখার জন্য একটি বোর্ড স্থাপন করা যায়! আমরা চাই উপাচার্য নিয়মিত ক্যাম্পাসে উপস্থিত থেকে ক্যাম্পাস পরিচালনা করুন।’

অধ্যাপক ড. গাজি মাজহারুল আনোয়ার বলেন, ‘দিনের পর দিন উপাচার্য ক্যাম্পাসে অনুপস্থিত থাকবেন এটা মেনে নেওয়া যায় না। সে কারণে আমরা এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’

ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, ‘উপাচার্যকে নিয়োগ দেওয়ার সময় শর্তেই উল্লেখ করা হয়েছিল তাকে ক্যাম্পাসে উপস্থিত থেকে ক্যাম্পাস পরিচালনা করতে হবে। তিনি তার নিয়োগের শর্তই লঙ্ঘন করেছেন। তার একাডেমিক এবং প্রসাশনিক দুর্নীতির বড় কারণ তার অনুপস্থিতি।’

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে ফোন করলে উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ কল রিসিভ করেননি। 

 

 

/এফএস/

লাইভ

টপ