কক্সবাজার লকডাউন

Send
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৯:১৫, এপ্রিল ০৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:২৪, এপ্রিল ০৮, ২০২০

লকডাউনকরোনা পরিস্থিতির কারণে কক্সবাজার জেলাকে লকডাউন করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন লকডাউন ঘোষণা করেন। এখন থেকে কেউ কক্সবাজারে প্রবেশ করতে এবং বের হতে পারবেন না।

লকডাউন বিষয়ে জেলা প্রশাসনের নিজস্ব ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে হয়েছে। এতে লকডাউন আদেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস (কেভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে কক্সবাজার জেলার আট উপজেলায় পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা ও শয্যাবিশিষ্ট ২২৭টি আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।  তার মধ্যে রয়েছে– রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (নতুন ভবন) ৫০ শয্যা, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  (নতুন ভবন) ৫০ শয্যা, পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ শয্যা, কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৭ শয্যা, মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২০ শয্যা, উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ শয্যা ও টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩০ শয্যা।  কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. মাহবুবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বাথরুম ব্যবস্থাসহ ২২৭ আইসোলেশন ইউনিটে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসা সামগ্রী, মাস্ক, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) মজুত রাখা হয়েছে।

এছাড়াও বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংস্থার আটটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের সমন্বয়ে ৬৬ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন ইউনিট, বেড, ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ও জরুরি বিভাগের প্রধান ডা. মোহাম্মদ শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী জানান, হাসপাতাল সংলগ্ন পুরনো মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসের চতুর্থ তলায় আইসোলেশন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে।

তিন শিফটে আইসোলেশন ইউনিটের প্রতি শিফটে একজন ডাক্তার, চারজন নার্স, একজন করে ক্লিনার, নিরাপত্তাকর্মী ও ওয়ার্ডবয় রয়েছে। সর্বশেষ পাওয়া খবরে কক্সবাজার জেলায় মোট ৫১৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে এবং ২৩ জনকে প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

এছাড়া জেলার ২৯টি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার জন্য ১০৬টি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কর্মরত আছেন ১০৭ জন ডাক্তার ও ৮০ জন নার্স। কেভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তির জরুরি চিকিৎসা, স্থানান্তরের জন্য ১১টি পৃথক অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

/এমএএ/

লাইভ

টপ