‘খুব শিগগির চালু হবে বিরল স্থলবন্দর’

Send
দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২১:৫৩, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:১২, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে এম তরিকুল ইসলামের দিনাজপুরের বিরলে স্থলবন্দরের স্থান পরিদর্শন। 
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে এম তরিকুল ইসলাম বলেছেন, খুব শিগগির দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরু হবে। এই বন্দরের মূল অবকাঠামো হিসেবে রেলসংযোগ ও সড়ক সংযোগ আছে। এই বন্দরের জন্য ১৭ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বন্দরের অবকাঠামো নির্মান শুরু করা হয়েছে। সড়ক বিভাগ রাস্তা করে ফেলেছে যাতে করে ভারত-বাংলাদেশের যাত্রীরা পারাপার হতে পারবে। পাশাপাশি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষও এখানে একটি স্টেশন করবে এবং মূল রেললাইনকে নিরাপদ রেখে মালবাহী ট্রেন যাতে লোড-আনলোড করতে পারে সেজন্য লুপ লাইন তৈরি করার ডিপিপি তৈরি হয়েছে। বন্দরের অফিস, কাস্টমসের সুবিধা, যাত্রীবিশ্রামাগারসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুর ১২টায় দিনাজপুরের বিরল উপজেলার পাকুড়া সীমান্তের স্থলবন্দরের জায়গা পরিদর্শন শেষে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের সরকারের আগ্রহ আছে সেজন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই পরিদর্শন। এখানকার জনগণেরও বেশ আগ্রহ রয়েছে। বর্তমানে দেশের ৮টি স্থলবন্দরের প্রস্তাবনা সরকারের হাতে রয়েছে। এর মধ্যে বিরল স্থলবন্দরকে বেশি করে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। 

দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দরের স্থান পরিদর্শনের পর মঞ্চে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে এম তরিকুল ইসলামের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

বিরল ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের পরিচালক ও বিরল পৌরসভার মেয়র সবুজার সিদ্দিক সাগরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিরল ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সহিদুর রহমান পাটোয়ারী মোহন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট এক্সাইজের রংপুরের কমিশনার শওকত আলী সাদী, রেলের পশ্চিমাঞ্চলীয় জোনের অতিরিক্ত চিফ ইঞ্জিনিয়ার আসাদুল হক, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাহমুদুল আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রমা কান্ত রায় প্রমুখ।

প্রধান অতিথি আরও বলেন, চির সবুজ এই দিনাজপুর জেলা। এই জেলা মানুষ সাঁওতাল বিদ্রোহ, ইয়াসমিন ট্র্যাজেডিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই জেলা আম-লিচুতে ভরপুর ও চমৎকার চাল উৎপাদনকারী জেলা। এই জেলার প্রাচীন ঐতিহ্যকে শুধু দেশ নয়, দেশের বাইরের মানুষদের জানাতে হবে। এর জন্য বিরল স্থলবন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অচিরেই এই বন্দরটি পূর্ণাঙ্গতা লাভ করবে। এই বন্দর দিয়ে শুধুমাত্র ভারতে নয়, পাশাপাশি নেপালে যোগাযোগ করা সহজ হবে।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর সড়ক পথের নির্মাণকাজ শেষ করেছে। এখন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এই স্থলবন্দরে একটি স্টেশন নির্মাণের চিন্তা করছে।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে বিরল স্থলবন্দরে পৌঁছান চেয়ারম্যান, কাস্টমস কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বন্দর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা। এ সময় তারা রেলপথ, রাস্তাঘাট ও পোর্টের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন।

/টিএন/

লাইভ

টপ
X