দুর্গা পূজার পর আগের এলসির পেঁয়াজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত

Send
হিলি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২০:৫৮, অক্টোবর ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:১১, অক্টোবর ১৯, ২০২০

ভারতীয় পেঁয়াজ (ফাইল ছবি)দুর্গা পূজার পর রফতানি বন্ধের আগের পেঁয়াজের এলসি ও স্থলপথ দিয়ে তা পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় রফতানিকারকরা। হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোজাম হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গত ১৪ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের পূর্বের এলসিগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত রফতানিকারকদের কাছ থেকে এলসির কপি গ্রহণ করেছে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়। সেই এলসিগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ৯ অক্টোবর শুক্রবার ভারতের দিল্লিতে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ে বৈঠক বসার কথা ছিল। ওই বৈঠকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ভোক্তা অধিকার খাদ্য ও বণ্টন বিষয়ক মন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ান উপস্থিত থাকার কথা ছিল এবং তার ওপরেই স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রফতানির বিষয়ে সিদ্ধান্তের দায়িত্ব ছিল। তবে বৈঠকের আগের দিন গত বৃহস্পতিবার তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ কারণে শুক্রবারে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। পরবর্তী বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা ছিল বলে ভারতীয় রফতানিকারকরা আমাদের জানিয়েছিলেন। তবে আজ অবধি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি, কবে হবে তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আগামী ২২ অক্টোবর থেকে শারদীয় দুর্গা পূজা। এ কারণে সরকারি ছুটি থাকবে। পূজার পরে ছাড়া এ বিষয়ে সিন্ধান্ত আসার কোনও সম্ভাবনা নেই বলে রফতানিকারকরা আমাদের জানিয়েছেন। এখনও স্থলপথে পেঁয়াজ রফতানির বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত না হলেও চেন্নাই সমুদ্রবন্দর দিয়ে দুটি জাতের পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। যদিও আমদানিকারকরা ওই পথ দিয়ে পেঁয়াজ আমদানিতে আগ্রহী নন।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই ভারত সরকার কোনও আগাম খবর না দিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এতে করে দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় সীমান্তের ওপারে ২৫০ পেঁয়াজবাহী ট্রাক আটকা পড়ে। একইসঙ্গে পেঁয়াজ আমদানির জন্য ১০ হাজার টন এলসি দেওয়ার কথা ছিল, তার কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে ভারত। এর পাঁচদিন বন্ধের পর ১৩ সেপ্টেম্বর টেন্ডার সম্পূর্ণ হওয়া ১১টি ট্রাকে ২৪৬ টন পেঁয়াজ গত ১৯ সেপ্টেম্বর রফতানি করে ভারত। যদিও রফতানি হওয়া পেঁয়াজের বেশিরভাগই পচা ও নষ্ট হওয়ায় অনেক পেঁয়াজ ফেলে দিতে হয়েছে। কিছু পেঁয়াজ বাছাই করে বিক্রি করা সম্ভব হয়েছে, এতে করে আমদানিকারকদের আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

 

/টিটি/

লাইভ

টপ