ঘর পেলো ৩৬ পরিবার

Send
নীলফামারী প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৩:২৯, অক্টোবর ২৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৩:২৯, অক্টোবর ২৩, ২০২০

দুর্যোগ সহনীয় ঘর



নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৩৬ পরিবারের দুর্যোগ সহনীয় পাকা ঘর পেয়েছে। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে এসব ঘর নির্মাণ করা হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে নির্মাণ কাজ শেষ করে উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মধ্যে কামারপুকুরে ৫টি, কাশিরাম বেলপুকুরে ৭টি, বাঙালিপুরে ৭টি, বোতলাগাড়ি ইউনিয়নে ১০টি ও খাতামধুপুরে ৭টি দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে ঘরগুলো নির্মিত হয়েছে। ইউনিয়ন ও উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে তৃণমূলে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করা হয়। 
উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ব্রহ্মোত্তর গ্রামে মাহামুদা বেগম দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেয়েছেন। তার এক প্রতিবন্ধী মেয়ে দিনাজপুর পলিটেকনিক ইন্সটিউটে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে লেখাপড়া করছেন। তিনি বলেন, আগে মাটির ঘরে থাকতাম।, চারদিক থেকে পানির ঝাপটায় ভিজে যেতাম। ঘর পেয়ে শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন। 

দুর্যোগ সহনীয় ঘর
কাশিরাম ইউনিয়নের বাঁশতলী পাড়ার রাজমিস্ত্রী মিন্টু সরকার, বোতলাগাড়ির উত্তর সোনাখুলি মাঝাপাড়ার দিনমজুর আজিনুর রহমান বলেন, জীবনে ভাবতে পারিনি ছেলে-মেয়ে পাকা ঘরে থাকতে পারবো। সেই সাধ পুরোন করলো শেখ হাসিনা। এই সরকার মানুষের এতো উপকার করে ভাবাই যায় না।
একই ইউনিয়নের তেলীপাড়ার মোমিন আলী বলেন, ‘হামরা যে আয় করি তা দিয়া জীবনে পাকা বাড়ি করির পাইনু না হ্যায়। শেখ হাসিনা হামার এলার পেকে মুখ ফিরে চাইছে। তাই শেকের বেটির জন্য দোয়া করি।’ 

দুর্যোগ সহনীয় ঘর
সৈয়দপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবু হাসনাত সরকার জানান, প্রধানমন্ত্রীর এসব দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেয়ে অভাবী ও গরিব মানুষগুলো শান্তিতে আছেন।  প্রকল্পের কাজে কোনও অনিময় ও দুর্নীতি করা হয়নি। প্রকল্পের কাজ ও প্রতিটি সামগ্রী ক্রয়ে যথেষ্ট স্বচ্ছতা দেখানো হয়েছে।
সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) নাসিম আহমেদ জানান, বরাদ্দকৃত কাজে উদ্যোগ নিয়ে বাথরুম টাইলস করে দেওয়া হয়েছে। এতে করে কাজটি আরও  সুন্দর হয়েছে। যা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। 

 

/এসটি/

লাইভ

টপ