বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত একটি সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী মহানগর বিএনপি। গত ৪ সেপ্টেম্বর ‘ছাত্রলীগ নেতা মাসুদকে পিটিয়ে হত্যা: ৫ দিন আগে বাবা হয়েছিলেন মাসুদ, কী হবে স্ত্রী-সন্তান ও শয্যাশায়ী মায়ের’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন শাখা বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈশা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হুদা ও সদস্যসচিব মামুনুর রশীদ মামুন।
দলের আহ্বায়ক সদস্য (দফতরে সংযুক্ত) আরিফুল শেখ বনি স্বাক্ষরিত প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়েছে, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ হত্যার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন ইতঃপূর্বে আমাদের নজরে এসেছে। আমরা রাজশাহী মহানগর বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ দায়িত্ব নিয়ে বলছি মাসুদ হত্যা ঘটনায় বিএনপির কোনও নেতাকর্মী জড়িত ছিল না। গণআন্দোলনে সম্পৃক্ত দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠনকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করে হেয়প্রতিপন্ন করায় আমরা উদ্বিগ্ন।’
মহানগর বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন, ‘প্রতিবেদনটি দুরভিসন্ধিমূলক ও হীন উদ্দেশ্যে পরিবেশিত হয়েছে। মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায় উদারপন্থি রাজনৈতিক সংগঠন বিএনপির মানহানি হয়েছে।’
প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বলা হয়েছিল, ‘শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন নগরীর বিনোদপুর বাজার এলাকায় মাসুদকে ধরে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকেন একদল যুবক। এতে গুরুতর আহত হন। পরে পেটাতে পেটাতে থানায় নেওয়া হয়।’
এই যুবকদেরকে স্থানীয় অনেকে ‘বিএনপির অনুসারী’ হিসেবে মন্তব্য করেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে আরও অনুসন্ধানে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে হামলাকারী দুর্বৃত্তরা ‘কোন দলের অনুসারী’ তা চিহ্নিত করার কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সেই পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেদনে তথ্যগত সংশোধন আনা হয়েছে।
ফলে, বাংলা ট্রিবিউন কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতরূপে এই প্রতিবেদন করেনি। তথ্যের স্বাধীনতা, অবাধ সম্প্রচারে বাংলা ট্রিবিউনের বার্তাকক্ষ সব সময় সক্রিয়।
আরও পড়ুন: ৫ দিন আগে বাবা হয়েছিলেন মাসুদ, কী হবে স্ত্রী-সন্তান ও শয্যাশায়ী মায়ের








