নাটোরের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে মোছা. সুমনী আক্তারকে পদায়ন করা হয়েছে। তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উপসচিব ছিলেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নাটোরের সাবেক জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই দিন পৃথক আরও তিনটি আদেশে লালপুরের ইউএনওকে বদলি এবং রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও বাগাতিপাড়ার ইউএনওকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়।
মূলত গত ১২ আগস্ট প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের নির্বাচনি এলাকা লালপুর-বাগাতিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের শুমারির ফল ঘোষণা নিয়ে ইউএনওকে লাঞ্ছিত করে ডিম নিক্ষেপ ও কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাকে মারধরের পর কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় গত সোমবার (১৭ আগস্ট) লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে এজাহার দেওয়া হয়। তবে এজাহারটি মামলা হিসেবে রুজু করেনি পুলিশ।
ওই এজাহার দেওয়ার পরদিন কোনও কারণ উল্লেখ না করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক চারটি আদেশে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, নাটোরের জেলা প্রশাসক, বাগাতিপাড়ার ইউএনওকে প্রত্যাহার ও লালপুর ইউএনওকে বদলি করা হয়।
তবে কী কারণে তাদের বদলি করা হয়েছে, আদেশে তা স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি। এই বদলির সঙ্গে লালপুর উপজেলা প্রশাসনের এজাহারের কোনও যোগসূত্র আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একযোগে চার কর্মকর্তাকে বদলি করায় রাজনৈতিক এবং সামাজিকভাবে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।









