টানা বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে চিলমারী উপজেলার শাখাহাতির চর, মুদাফত কালিকাপুর চর, পত্রখাতার চর, ফেসকার চরসহ অর্ধশতাধিক চর ও দ্বীপচর প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ। এসব এলাকার কাঁচা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় নৌকা এবং কলাগাছের ভেলায় যাতায়াত করছে মানুষ। তলিয়ে গেছে চর ও দ্বীপচরের বিভিন্ন সবজিক্ষেত। ফলে ঈদ নেই চরাঞ্চলের এসব মানুষের।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেলেও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ধরলা ও দুধকুমারসহ সবকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে, কুড়িগ্রামের যাত্রাপুর এলাকার পাবর্তীপুর, চরভগবতিপুর, রলাকাটা, উলিপুরের হাতিয়া, সাহেবের আলগা, রাজারহাটের ডাংড়া, চিলমারীর রানীগঞ্জ, অষ্টমীর চর, নয়ারহাট ও রৌমারী রাজিবপুরের বেশ কিছু চরের মানুষের ঈদ উৎসব ফিকে হয়ে গেছে। গত কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার নদ-নদীগুলোর পানি বাড়তে থাকায় এই চরাঞ্চলের মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
আরও পড়ুন:
শোলাকিয়ায় বোমা হামলায় পুলিশসহ নিহত ৪, আহত ১২
শোলাকিয়ার হামলাকারীদের বয়স ২০ থেকে ২৫
/বিটি/টিএন/







