নীলফামারীর ডিমলায় বিয়ের একদিন পর মসজিদের ভেতর থেকে আব্দুল মালেক (২৫) নামে এক মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত মালেক ওই এলাকার মুনাকাশা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। এদিকে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে এসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন নিহতের মামা আহিদুল ইসলামও (৪০)। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের মুনাকাশা কাকড়া চৌপতি জামে মসজিদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আব্দুল মালেকের বিয়ে হয়। পরে বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে মসজিদের ফ্যান ঝোলানোর রডের সঙ্গে আব্দুল মালেককে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় মুসল্লিরা। খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে, ভাগনের এমন মৃত্যুর খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান তার মামা আহিদুল ইসলাম। পরে মরদেহ দেখে তিনি অসুস্থ হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকালে ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী জানান, সে ওই মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলে। গতকাল তার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল। বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। পরে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।









