জামিন পাননি সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
০৬ অক্টোবর ২০২৪, ১৪:০১আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৪, ১৪:০১

সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক নির্জন কুমার মিত্র। রবিবার (৬ অক্টোবর) সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে জামিন আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

তবে এদিন জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন বাদীপক্ষের আইনজীবীরা। আদালত উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের জামিন নামঞ্জুর করেন।

এদিকে, গতকাল শনিবার সুনামগঞ্জ কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর এম এ মান্নানকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনার কথা ছিল। তবে সেখানে না নিয়ে তাকে নেওয়া হয়েছে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে। ওই কারাগারেই তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা ও শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করার পর তাকে নেওয়া হতে পারে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, এমনটাই নিশ্চিত করেছে কারাসূত্র।

জানা যায়, গত ৪ আগস্ট সুনামগঞ্জের ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ চলাকালে যে হামলা হয়েছিল তার পরিপ্রেক্ষিতে যে মামলা হয়েছে সেটির এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। পরে গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টার দিকে শান্তিগঞ্জের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

জানা যায়, সাবেক আমলা এম এ মান্নান ২০০৮ সালে প্রথম নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন। অবশ্য ২০০৩ সালে চাকরি থেকে অবসরের পর ২০০৫ সালে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে হেরে গিয়েছিলেন এম এ মান্নান। এরপর ২০১৪ সালে দশম এবং ২০১৮ সালে একাদশ নির্বাচনেও জয় পান তিনি।

২০১৪ সালের শুরুতে তাকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর চার মাস পর তার দায়িত্বে যুক্ত হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ও। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর তাকে করা হয় পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি টানা চতুর্থবার সংসদ সদস্য হন ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারিতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে। তবে এ মেয়াদে মন্ত্রিসভায় রাখা হয়নি এম এ মান্নানকে। তবে তাকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়।

/কেএইচটি/
সম্পর্কিত
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
রামিসা হত্যা: সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ, লঘুদণ্ডের দাবি আসামিপক্ষের
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে