X
মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪
২১ ফাল্গুন ১৪৩০
সিনেমা সমালোচনা

অটোবায়োগ্রাফি: ফারুকী-তিশার এক প্রেমপত্রে অনেক কমন প্রশ্ন

জনি হক
জনি হক
০২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:৫৮আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৮:৪২

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও নুসরাত ইমরোজ তিশা দম্পতির ব্যক্তিজীবনের ভালোবাসায় অনুপ্রাণিত ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র গল্প। এতে বাস্তবতা ও ফিকশনের মধ্যকার চৌহদ্দিতে রাষ্ট্র ও সমাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন কিছু ঘটনার অনুরণন রয়েছে।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি সিনেমার বড় বিজ্ঞাপন ভাবা হয়। দেশীয় চলচ্চিত্রে নতুন একটি ধারার শুরুটা যে তারই হাত ধরে। কিন্তু তিনি নিজ দেশে অদৃশ্য শেকলে বন্দি। সাড়ে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় অজানা কারণে সেন্সর বোর্ডে আটকে থাকা ‘শনিবার বিকেল’ তার কাছে এক আর্তনাদের নাম। সেই বিলাপকে চিৎকারে পরিণত করেছে ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’। এর পরতে পরতে ফারুকী বুকের ভেতর জমে থাকা অনেক না-বলা কথা নিংড়ে দিয়েছেন। স্বাধীনভাবে গল্প বলার জন্য কতটা আকুল হয়ে আছেন তিনি, ক্যামেরার সামনে ও পেছনে তার সেই অসহায়ত্ব আর দাবি একইসঙ্গে ভেসে বেড়িয়েছে।

‘শনিবার বিকেল’ দেশে মুক্তি দিতে না পারাটাই হয়তো ফারুকীকে তাতিয়ে দিয়েছে। সেই মনস্তাপ আর যাতনা থেকে তিনি বানিয়ে ফেললেন জীবনের অন্যতম সেরা কাজ ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’। নামেই বোঝা যাচ্ছে, গল্পে তার ও নুসরাত ইমরোজ তিশার বাস্তব জীবনের প্রতিফলন রয়েছে। ছবিটির প্রধান দুই চরিত্র ফারহান ও তিথি মূলত তারাই। তবে কিছু মনোবেদনার কথা বলতে ফিকশনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। যেমন ফারহানের জেলে যাওয়ার দৃশ্যটি। কারণ আমরা বাস্তবে ফারুকীর এমন কোনও ঘটনার কথা জানি না। যদিও ফারহানকে নয়, আমি দেখছিলাম ‘শনিবার বিকেল’ বানানো একজন নির্মাতাকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে! ব্যক্তিজীবনে মুক্ত থাকলেও ফারুকী যেন চলচ্চিত্রকার হিসেবে নিজ ভূখণ্ডে একপ্রকার কারাবাস করছেন। ‘শনিবার বিকেল’ উত্তর আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহে ও ভারতের ওটিটি প্ল্যাটফর্মে এলেও নিজের দেশে দেখাতে না পারার অতৃপ্তি বয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাকে।

নুসরাত ইমরোজ তিশা নির্মাতা ফারুকী ফ্রেমে ফ্রেমে সমাজের প্রচলিত কিছু সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, যেগুলো দর্শককে চিন্তার ক্লাসে বসিয়ে দিতে পারে। সেই সঙ্গে উঠে এসেছে কিছু অপ্রিয় রাজনৈতিক সত্য। ছবিটি চোখে আঙুল রেখে দেখিয়েছে, ফেসবুকে নিরপেক্ষ কোনও জায়গা বুঝতে চায় না মানুষ। একজনের ফেসবুক স্ট্যাটাস কারও বিপক্ষে গেলে কতটা দুর্ভোগে পড়তে হতে পারে এই ছবি তার নজির। আর কিছু রাজনীতিবিদ ক্ষমতার মোড়কে সর্বত্র এমন জাল বিছিয়ে রেখেছেন, যেখানে তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেই বিপদ এসে দুয়ারে কড়া নাড়বে। তখন মাথা নত করা এমনকি পা ধরা ছাড়া উপায় থাকে না।

‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ মূলত ফারুকী ও তিশার ব্যক্তিজীবনের প্রেমপত্র এবং একমাত্র কন্যাসন্তান ইলহামের প্রতি তাদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। পারিবারিক ও পেশাদার জীবনের নিবিড় আত্মভূত ও আবেগঘন ঘটনাবহুল অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন তারা। ছবিটিকে বলা যায় এই দম্পতির প্রেমের গল্প, তাদের দর্শনের গল্প। সন্তানের জন্য বাবা-মা কত ত্যাগ ও সহনশীলতা দেখাতে পারেন, তারা সেই নমুনা দেখিয়েছেন। কিন্তু আমরা সেগুলো মনে রাখি না। তাই ফারুকীর আওড়ানো সংলাপটা কানে লেগে থাকে, ‘আমরা কি মনে রাখছি, আমাদের আব্বা-আম্মা কী করছে আমাদের জন্য?’

যেহেতু নিজেদের দাম্পত্যের আবহে গল্প বলবেন, সেজন্য জাপানের প্রয়াত কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার আকিরা কুরোসাওয়ার স্মৃতিগ্রন্থ ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র নামটি জুতসই মনে করেছেন ফারুকী। ছবিটিকে দুটি অংশে ভাগ করা যায়। প্রথম অংশে সামাজিক চাপ আর দ্বিতীয় অংশে রাজনৈতিক চাপের বক্তব্য রয়েছে। তিশা তার স্বকীয় অভিজ্ঞতা থেকে সামাজিক চাপের বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। আর ফারুকীর বয়ানে উঠে এসেছে রাজনৈতিক চাপ।

সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি আদতে ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র প্রথম অংশ হলো নারীর প্রতি সমাজের অবয়বকে প্রশ্নের আয়নায় দাঁড় করানোর প্রচেষ্টা। বিয়ের কয়েক বছর পেরোলেও সন্তান কেন আসছে না, স্বামী-স্ত্রীর সন্তান না থাকলে ঘরে ফেরেশতা আসে না, সন্তান হলেও তার গায়ের রঙ কেন কালো– এমন অনেক বিব্রতকর প্রশ্নবাণে জর্জরিত হন নারীরা। তাদের প্রতি সমাজের করুণ দৃষ্টিভঙ্গি যেন ফুরাবার নয়। সেই সমাজকে ছবিটির মাধ্যমে কিছু কমন প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন ফারুকী-তিশা। তাদের পৃথক পৃথক দর্শনের মেলবন্ধনে দারুণ এক চলচ্চিত্রযাত্রা হয়ে উঠেছে ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’।

প্রথম দৃশ্যে দেখা যায়, তিথি থাইল্যান্ডের পাতায়ায় শুটিংয়ের ফাঁকে প্যারাগ্লাইডিং উপভোগ করছে। ঢাকা থেকে তার সঙ্গে কথা বলছে ফারহান। তাকে তিথি মনের অনুভূতি জানাতে বলে– জীবনে অর্থ নয়, খ্যাতি নয়; সে চেয়েছে দুটি পাখা। এই সংলাপে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমাদের দেশে মেয়েরা মুক্তমনা হয়ে চলার সুযোগ খুব একটা পায় না। সন্ধ্যার আগে ঘরে ফেরো, জিন্স পরে বেরিও না, একা ঢাকার বাইরে যাওয়া যাবে না– কত কথাই তো শুনে শুনে বেড়ে উঠতে হয় তাদের। মেয়েরা ছবিটি দেখলে আবেগাপ্লুত হতে পারেন। ফারুকী-তিশার মেয়ে ইলহাম যখন বড় হবে এবং ছবিটি বুঝতে পারবে, সে নিশ্চয়ই নতুন এক পৃথিবী চাইবে যেখানে তার নিজের কন্যাসন্তানকে এসব পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না।

গল্পে ফেরা যাক। পাতায়ায় ছিনতাইয়ের শিকার হয় তিথি। তবে প্রবাসীদের কল্যাণে ব্যাগসহ পাসপোর্ট ফেরত পায় সে। এরপর প্রবাসী একজন প্রশ্ন তোলেন, ‘বিয়ে করেছেন ১০ বছর হলো, বাচ্চা নেবেন কবে?’ সব দেশেই বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের সামাজিক এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় কমবেশি। সেক্ষেত্রে ছবির এই বিষয়বস্তু সার্বজনীন। এর সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে দেশীয় রাজনৈতিক চাপ।

আরেকটি দৃশ্যে নুসরাত ইমরোজ তিশা ফারহান ও তিথি সামাজিক চাপেই হোক কিংবা ব্যক্তিগত তাগিদেই হোক, সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু চিকিৎসকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তিথির মা হওয়ার সম্ভাবনা কম। এ কারণে মনমরা হয়ে থাকে সে। ফারহান মোটিভেশনাল কথাবার্তায় তাকে উদ্দীপ্ত রাখার চেষ্টা করলেও মা হওয়ার তাড়না তিথিকে আঁকড়ে রাখে সারাক্ষণ। একপর্যায়ে তার গর্ভে সন্তান আসে। ভালোই চলছিল সব। হঠাৎ এক রাতে ফারহান বাসা থেকে বেরিয়ে আর ফেরে না। তিথি তাকে ফোন দেওয়ার পর অপর প্রান্তে এক তরুণী কথা বলে। পরদিন অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে ফারহান। ফারহানের গায়েব হয়ে যাওয়া, অপরিচিত তরুণীর কাছে তার ফোন থাকা এবং অস্ত্রসহ ধরা পড়ার তিনটি ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধে। কী সেই রহস্য? সেটাই এগিয়ে নেয় বাকি গল্পকে।

ফারহান ও তিথির দাম্পত্য জীবনের আবহে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকার কিছু রূঢ় সত্য, যেগুলো নিয়ে আমরা খুব একটা উদ্বিগ্ন নই। যেমন সন্তানসম্ভবা নারীদের জন্য শব্দদূষণ কতটা ক্ষতির হতে পারে সেই বক্তব্য নিজের মুখেই দিয়েছেন ফারুকী। ঘরে পুতুল রাখা সংক্রান্ত কুসংস্কার এবং বাংলা সিনেমার গতানুগতিকতা নিয়ে বিদ্রূপ করেছেন তিনি। বিভিন্ন পারিবারিক দৃশ্যে তার হিউমার সেন্স আনন্দ দিয়েছে। স্ত্রী ও পুরনো প্রেমিকার সঙ্গে ফারহানের বিড়বিড় করে কথা বলার মুহূর্ত দুটি হাসি এনে দেয় মুখে। ফারুকীর মতোই তিশা গল্প রচনায় সৎ থেকেছেন। বাস্তবে দুই জনই বিয়ের আগে অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে থাকার কথা পর্দাতেও বলার সৎ সাহস দেখিয়েছেন। নয়তো অটোবায়োগ্রাফি আর হয় কী করে!

হাস্যরস জোগানো দৃশ্যের মতো কান্নার অভিনয়েও দারুণভাবে উতরে গেছেন ফারুকী। ফলে পাস মার্ক দেওয়াই যায় তাকে। এবারই প্রথম অভিনেতা হিসেবে দর্শকদের সামনে হাজির হলেন তিনি। কোনও দৃশ্যেই তার অভিব্যক্তি আনাড়ি মনে হয়নি। বরং মুগ্ধ করেছেন। তিশার সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে অভিনয় করেছেন।

একটি দৃশ্যে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ফারহান ও তিথিকে ফারুকী-তিশার চেয়ে আলাদা করা যায় না। কিছু জায়গায় মনে হয়েছে তারাই। তিথির রাগ ভাঙাতে শুটিংয়ের বিরতিতে চটপটি কিনে বাসায় হাজির হওয়া, গর্ভের সন্তানের জন্য বাড়তি সতর্কতার মনোভাব, তিথির নাটকীয়তা না বুঝে সিরিয়াস হয়ে ঘরে ফেরা– ফারহানের মতো ফারুকীও বাস্তবে এমন। এসব প্রেমময় দায়িত্ববোধের খুঁটিতেই টিকে আছে তার সাজানো সংসার।

তিথির ভূমিকায় নুসরাত ইমরোজ তিশা অসাধারণ অভিনয় করেছেন। বিভিন্ন জটিল মুহূর্তে তার যথাযথ অভিব্যক্তি এককথায় অনবদ্য। মেয়ের মা হওয়ার পর এই চলচ্চিত্র দিয়েই তিনি অভিনয়ে ফিরেছেন বলা চলে।

ছবিটির অন্যতম চমক ডিপজলের উপস্থিতি। ঠাণ্ডা মাথার নেতিবাচক রাজনীতিবিদ চরিত্রে তাকে অন্যভাবে আবিষ্কার করবেন দর্শকেরা। রাজনীতিবিদের ছেলে শরাফ আহমেদ জীবনের চরিত্র নেতিবাচক হলেও কমেডির ছাঁচে ফেলা হয়েছে তাকে, দারুণ করেছেন। তিথির পুরনো প্রেমিক ইরেশ যাকের, মায়ের ভূমিকায় ডলি জহুর, চিকিৎসক হিসেবে সংযুক্তা সাহা, পুলিশ চরিত্রে দীপক সুমন স্বাভাবিক অভিনয় করেছেন।

‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’তে ফারুকী ও তিশা চরকির মিনিস্ট্রি অব লাভ প্রকল্পের অংশ ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র আরেক নায়ক চিত্রগ্রাহক তাহসিন রহমান। ভবনের ছাদকক্ষে ফারহানকে আটকে রেখে আতশবাজি পোড়ানোর সময় আলোছায়ার দৃশ্য এবং কিছু ফলো-শট চোখে লেগে থাকার মতো। মোমিন বিশ্বাস প্রতিটি দৃশ্যের স্থানান্তরে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। পাভেল আরীনের শেষের দিকের আবহ সংগীত হৃদয়ে হাহাকারের অনুভূতি জাগায়।

গত ৮ অক্টোবর ২৮তম বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’র ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার দেখেছি। জিসোক বিভাগে প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত হয় এটি। কমপক্ষে তিনটি চলচ্চিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতা থাকা এশিয়ার প্রতিষ্ঠিত চলচ্চিত্রকারদের কাজ জায়গা পায় এতে। এরপর ছবিটি আমন্ত্রিত হয় মুম্বাই চলচ্চিত্র উৎসবের আইকনস: সাউথ এশিয়া বিভাগে। ফারুকী তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানালেন, বুসানে যে সংস্করণ দেখানো হয়েছে, তার শেষে একটি নতুন দৃশ্য যুক্ত করা হয়েছে। ফলে আরেকবার দেখার আগ্রহ জন্মালো। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) প্রিমিয়ার শোতে সেই কৌতূহল মিটলো। ছবিটি সব দর্শকেরই দেখা প্রয়োজন। ইংরেজিতে যাকে আমরা বলি মাস্ট-ওয়াচ!

একটি দৃশ্যে নুসরাত ইমরোজ তিশা সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি: রেটিং ৮.৫/১০
দৈর্ঘ্য: ৮২ মিনিট
মুক্তি: ৩০ নভেম্বর, চরকি
পরিচালনা: মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
রচনা: মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও নুসরাত ইমরোজ তিশা
প্রযোজক: রেদওয়ান রনি
সহ-প্রযোজনা: আনা কাৎচকো, নিনা লাথ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও নুসরাত ইমরোজ তিশা
চিত্রগ্রহণ: তাহসিন রহমান 
সম্পাদনা: মোমিন বিশ্বাস
শিল্প নির্দেশনা: শিহাব নুরুন নবী
আবহ সংগীত: পাভেল আরীন
অভিনয়: মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নুসরাত ইমরোজ তিশা, ডলি জহুর, ইরেশ যাকের, শরাফ আহমেদ জীবন, ডিপজল, দীপক সুমন, রিফাত মজুমদার প্রমুখ
প্রজেক্ট: মিনিস্ট্রি অব লাভ

লেখক: গীতিকবি ও বাংলা ট্রিবিউনের ডেপুটি নিউজ এডিটর

/এমএম/
সম্পর্কিত
হারপিকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন তিশা
হারপিকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন তিশা
এখনও আইসিইউতে ফারুকী, তবে বিপদমুক্ত
ফারুকী এখন বিপদমুক্ত: তিশা
হাসপাতালে নির্মাতা ফারুকী, অবস্থা স্থিতিশীল
হাসপাতালে নির্মাতা ফারুকী, অবস্থা স্থিতিশীল
ফ্রান্সের উৎসবে বিচারক ফারুকী
ফ্রান্সের উৎসবে বিচারক ফারুকী
বিনোদন বিভাগের সর্বশেষ
এক দিনের ব্যবধানে মাতৃহারা নায়ক ও গায়ক
এক দিনের ব্যবধানে মাতৃহারা নায়ক ও গায়ক
কিয়ারার পারিশ্রমিক ১৩ কোটি!
কিয়ারার পারিশ্রমিক ১৩ কোটি!
ফের ‘লাকি পার্টনার’র সঙ্গে ফারিণ!
ফের ‘লাকি পার্টনার’র সঙ্গে ফারিণ!
গানে ফারিণ, সঙ্গে তাহসান, পেছনে ইমরান
গানে ফারিণ, সঙ্গে তাহসান, পেছনে ইমরান
দেড় যুগের গান-গল্প শোনাবেন শাওন
দেড় যুগের গান-গল্প শোনাবেন শাওন