কিশোর ও লিজা। দু’জনের গোড়াটা একসূত্রে বাঁধা। একই রিয়েলিটি শো থেকে রাজকীয় উত্থান তাদের। যদিও আগমনটা খানিক আগে ও পরে, যথাক্রমে। এরপর একসঙ্গে অনেক মঞ্চ, অনেক সিনেমা আর অনেক দেশ ঘুরেছেন দু’জনে, বাংলা গান কণ্ঠে নিয়ে।
একসঙ্গে অনেকদূর হেঁটে এসে, এই ঈদে প্রথমবার নতুন দিকে নিজেদের পা বাড়ালেন। এবারই প্রথম অডিও তথা স্বাধীন-সংগীতে (নাটক, সিনেমা, অনুষ্ঠানের বাইরে নিজেদের মতো গান) কণ্ঠ মেলালেন বাংলা সংগীতের খুবই দরকারি দুই ভোকাল আর্টিস্ট, কিশোর ও লিজা।
দু’জনে গাইলেন ‘ও প্রিয় ভালোবাসা নিও’। সৃষ্টি হলো একেবারে মাখা মাখা প্রেমময় এক গান। নিজের কম্পোজ স্ট্যান্ড স্টুডিওতে বসে গানটি লিখে সুর-সংগীতায়োজনও করেছেন কিশোর। গাওয়ার সময়েও সঙ্গী হলেন লিজার।
কিশোর বললেন, ‘আমি বের হলাম ২০০৬ সালে। লিজা ২০০৮ সালে। সে হিসেবে ২০০৮ সাল থেকেই আমরা দেশ-বিদেশে মঞ্চ শেয়ার করছি। একসঙ্গে অনেকগুলো সিনেমার গানও করেছি। টিভি শো, নাটকের গানও করেছি। তবে গত ১৬/১৭ বছরে সম্ভবত এবারই প্রথম অডিও মাধ্যমের জন্য আমরা গান করলাম একসঙ্গে। লিজার কণ্ঠ-যোগ্যতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে সেটি নতুন করে যাচাই করতে হলে এই গানটি শুনতে হবে। সবাইকে ঈদ মোবারক।’
লিজার প্রতিক্রিয়াও কাছাকাছি। সতীর্থের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তার ভাষায়, ‘কিশোর দা দারুণ গাইয়ে। তার সুর-কম্পোজিশনও বরাবরই দারুণ। এটা সবাই জানেন। কিন্তু তার লেখার হাতও যে চমৎকার, সেটা আমরা অনেক বিরতি নিয়ে টের পাই। যেমনটা এবার আমি পেলাম। কী চমৎকার কথা, সুর, সংগীতায়োজন হলো। গানটি আমি খুব আনন্দ নিয়ে গেয়েছি। থাকে না, একটা হ্যাপি ফিলিং। আশা করছি শ্রোতারা পছন্দ করবেন। সবাইকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা।’
কিশোর-লিজাকে মডেল বানিয়ে তৈরি হলো ‘ও প্রিয় ভালোবাসা নিও’ গানের ভিডিও। এটি নির্মাণ করেছে গালগপ্পো প্রোডাকশন টিম। আর গানচিত্রটি ঈদ উপহার হিসেবে উন্মুক্ত হচ্ছে ৫ জুন, কিশোর দাসের ইউটিউব চ্যানেলে।
বলা দরকার, কিশোর জানিয়েছেন এই ঈদে তারা দু’জনে আরও একটি গান গেয়েছেন একসঙ্গে। সেটি প্রচার হবে হানিফ সংকেত-এর ‘পাঁচফোড়ন’ অনুষ্ঠানে, এটিএন বাংলায়।








