জেনেভায় জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ ফোরামের প্রেসিডেন্ট হিসেবে সিরিয়াকে নিয়োগ দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি ওই ফোরাম বর্জনও করতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ফোরামটিতে নিযুক্ত মার্কিন দূত রবার্ট উড মঙ্গলবার জেনেভায় সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেন বলে খবর দিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সিরিয়ার বিরুদ্ধে নিজ দেশের গৃহযুদ্ধে বিদ্রাহীদের ওপর রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ করে থাকে পশ্চিমা দেশগুলো। গত মাসে দৌমায় আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে রাসায়নিক হামলার অভিযোগ তুলে সিরিয়ায় হামলা চালায় ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া চালানো ওই হামলায় আসাদের নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক কারখানা ধ্বংসের দাবি করা হয়। এনিয়ে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন নিয়ে চলছে বিতর্ক। এর মধ্যেই নিরস্ত্রীকরণ ফোরাম ‘কনফারেন্স অব ডিসআর্মেন্ট’র আবর্তিত প্রেসিডেন্সির আওতায় সোমবার (২৮ মে) প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয় সিরিয়া। চার সপ্তাহের জন্য সংস্থায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে তারা। এরপর এই দায়িত্ব পাওয়ার কথা রয়েছে সুইজারল্যান্ডের।
মঙ্গলবার ফোরামটিতে নিযুক্ত মার্কিন দূত রবার্ট উড সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আজ সকালে কয়েকটি পয়েন্টে ওয়াকআউট করতে যাচ্ছি। সিরিয়ার প্রেসিডেন্সি নিয়ে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সুতরাং আমাদের সঙ্গে থাকুন।
তিনি বলেন, চার সপ্তাহ ধরে ফোরামে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট থাকার বিরোধীতা করছে ওয়াশিংটন তবে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে দেশটির অবস্থান স্বচ্ছ রাখতে চান তারা।
এই ফোরামটি জাতিসংঘভুক্ত কোনও সংস্থা না হলেও জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।








