বাণিজ্য সংঘাতে তেমন প্রভাব পড়বে না চীনের ভোগ্যপণ্যের দামে

বিদেশ ডেস্ক
১৬ জুলাই ২০১৮, ১০:১৪আপডেট : ১৬ জুলাই ২০১৮, ১০:১৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সংঘাত চীনের ভোগ্যপণ্যের দামের ওপর খুব কমই প্রভাব ফেলবে। এছাড়া বছরের দ্বিতীয়ার্ধে দেশটির ভোক্তা খরচও স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। সোমবার চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর একজন মুখপাত্র এ কথা বলেন।

বাণিজ্য সংঘাতে তেমন প্রভাব পড়বে না চীনের ভোগ্যপণ্যের দামে

২০১৮ সালের ৬ জুলাই ৩৪ বিলিয়ন ডলারের চীনা পণ্য আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। পাল্টা উত্তর দেওয়ার হুমকি আসে বেইজিং-এর তরফেও। চীনের অভিযোগ, ট্রাম্পের নেওয়া পদক্ষেপ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মাবলীর লঙ্ঘন। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যে আরোপিত শুল্ক কার্যকর করার পর চীনও তাৎক্ষণিকভাবে মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক কার্যকর করেছে বলে জানিয়েছেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু কাঙ।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর মুখপাত্র মাও সেংইয়ং বলেন, ‘চীনের অর্থনীতির ধীরস্থির ও বিকাশের ধারায় কোনও পরিবর্তন আসেনি’। সোমবার বছরের দ্বিতীয়ার্ধের জিডিপি’র তথ্য তুলে ধরা শেষ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন। ওই তথ্যে দেখা যায়, দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবার ৬ দশমিক ৭ শতাংশ হয়েছে। মাও সেংইয়ং বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সংঘাত হলেও তার জন্য চীনের বাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম খুব একটা বাড়বে না।

গত এপ্রিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দেশে ইস্পাত আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর ১০ শতাংশ কর আরোপের পরিকল্পনার কথা জানান। শিগগিরই তা কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি। আমদানি শুল্ক আরোপকে কেন্দ্র করে বিশ্বের দুই বৃহত্তর অর্থনীতির দেশ চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধের আশঙ্কায় এশিয়ার শেয়ার বাজারে পতন দেখা দেয়। 

ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বাণিজ্য নীতির বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোকে নিয়ে জোট গঠনের জোর চেষ্টা চালাচ্ছে চীন। ১৬-১৭ জুলাই বেইজিংয়ে সিনো-ইউরোপীয় সম্মেলন সামনে রেখে ইইউ নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন চীনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এসব বৈঠকে একটি জোট গঠন এবং ব্যবসায়িক সুযোগ বাড়ানোর অংশ হিসেবে বেশি করে চীনা বাজার গড়ার প্রস্তাব দেয় বেইজিং। সূত্র: রয়টার্স।

/আরএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
প্রশিক্ষণে চীন যাচ্ছেন ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ তরুণ প্রতিনিধিরা
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম