মিসরে ঐক্যবদ্ধ বিরোধী দল গঠনের আহ্বান ব্রাদারহুডের

বিদেশ ডেস্ক
২৮ জানুয়ারি ২০১৯, ১৯:৩৬আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৯, ২০:৩৯

মিসরের হয়ে বিদেশে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ বিরোধী দল গঠনের আহ্বান জানিয়েছে মুসলিম ব্রাদারহুড। ২৫ জানুয়ারি, ২০১১ সালের বিপ্লবের আট বছর পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে দলটি জানায়, সামরিক শাসন থেকে স্বাধীনতার জন্য ও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ বিরোধী জোট প্রয়োজন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

মিসরে ঐক্যবদ্ধ বিরোধী দল গঠনের আহ্বান ব্রাদারহুডের ২০১৩ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটির ক্ষমতায় আছেন প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি। ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশটিতে নির্বাসনে রয়েছে সবচেয়ে পুরাতন ও প্রভাবশালী ইসলামি সংগঠন দ্য মুসলিম ব্রাদারহুড। তারা বিদেশে থাকা মিসরীয় বিচারকদের আহ্বান জানান তারা যেন সাংবিধানিক একটি কাঠামোর নেতৃত্বভার গ্রহণ করেন। ব্রাদারহুড দাবি করে, বিদেশে থাকা মিসরীয়রা দেশের মধ্যে বিরোধী দল গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।

বিবৃতিতে বলা হয়, মিসরীয় বিপ্লব সমর্থন ও বিরোধীদলীয় স্বার্থরক্ষায় সহিংসতা থেকে দূরে থাকা জরুরি। মিসরে নিষিদ্ধ এই দলটি সংবিধানের ১৯২৩ নাম্বার অনুচ্ছেদ সামনে এনে জনসাধারণের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলে।

২০১২ সালের ৩০ জুন মিসরের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের এক বছরের মাথায় ২০১৩ সালের ৩ জুলাই সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন মোহাম্মদ মুরসি। সেনাপ্রধান জেনারেল সিসির ক্ষমতা দখলের পক্ষে সমর্থন ছিল ইসরায়েল, সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের। সে সময় মুরসির সমর্থকরা প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছিলে। তখন তাদের ওপর চড়াও হয়েছিল সরকারি বাহিনী। নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ব্রাদারহুডকে। আর মুরসির ঠিকানা হয়েছিল কারাগারে। সাজাপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে হত্যার মতো অভিযোগ ছাড়াও সহিংসতা ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছিল। সরকার দাবি করেছিল, বিক্ষোভকারীদের অনেকের কাছে ছিল অস্ত্র এবং তারা নিরাপত্তা বাহিনীর আট সদস্যকে হত্যা করেছে। যদিও প্রথমে সরকার নিরাপত্তা বাহিনীর ৪০ জন সদস্য নিহত হওয়ার দাবি করেছিল।

এরপর থেকে অনেক মানবাধিকার কর্মী ও এনজিও সরকারের রোষানলে পড়ে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, দেশটিতে প্রায় ৬০ হাজার রাজনৈতিক কর্মী আটক রয়েছেন।

/এমএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু কি এখন দুই পথের পথিক?
সর্বশেষ খবর
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
ভাতের সঙ্গে জমবে মজাদার সরষে সবজি
ভাতের সঙ্গে জমবে মজাদার সরষে সবজি
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে জোর দেবে নতুন বিএসইসি
ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে জোর দেবে নতুন বিএসইসি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী