আবারও ডিআর কঙ্গোয় বিদ্রোহীদের হামলা, নিহত ১৯

বিদেশ ডেস্ক
২৮ নভেম্বর ২০১৯, ০২:৫৭আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০১৯, ০২:৫৭

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলীয় বেনি শহরের কাছে নতুন করে হামলা চালিয়েছে বিদ্রোহীরা। বুধবার বিদ্রোহী গোষ্ঠী অ্যালাইড ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সের (এডিএফ) সশস্ত্র সদস্যদের চালানো হামলায় নিহত হয়েছে অন্তত ১৯ জন। বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ব্যর্থতা নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ বাড়তে থাকার মধ্যে নতুন করে এই হামলার ঘটনা ঘটলো। আবারও ডিআর কঙ্গোয় বিদ্রোহীদের হামলা, নিহত ১৯

গত ২৪ নভেম্বর (রবিবার) রাতে বেনি শহরে বিদ্রোহীদের চালানো হামলায় আট বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়। হামলার জন্য এডিএফ দায়ী বলে ধারণার কথা জানায় সেখানকার পুলিশ। ওই ঘটনার পর জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সেখানকার বাসিন্দারা। পরদিন ওই শহরে থাকা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের কার্যালয়ে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। বেশ কয়েকটি কার্যালয় ও গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি লুটপাটও চালানো হয়। হামলার শিকার হয় স্থানীয় মেয়রের কার্যালয়ও। বুধবারও সেখানে বিক্ষোভ চলেছে।

বুধবার বেনি শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে একটি গ্রামে ঢুকে পড়ে এডিএফ সদস্যরা। বেনি অঞ্চলের প্রশাসক ডোনাট কিবওয়ানা বলেছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ১৯টি মরদেহ পাওয়া গেছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। নতুন করে হামলার আশঙ্কায় আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ফিরে যেতে ভয় পাচ্ছে। ওই অঞ্চলে সেনা উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বাসিন্দাদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

১৯৯৯ সাল থেকে ডিআর কঙ্গোয় মোতায়েন রয়েছে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন। বাংলাদেশসহ বহু দেশের সেনা সদস্যদের নিয়ে গঠিত ওই মিশন সেখানে নিয়োজিত রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বড় এই শান্তিরক্ষা মিশনে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার সেনা সদস্য ও পর্যবেক্ষক, ১৩ হাজার পুলিশ ও অন্তত চার হাজার বেসামরিক কর্মকর্তা রয়েছে।

তবে বিক্ষোভকারীরা বলছেন, সরকার ও জাতিসংঘ বাহিনী তাদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। জোনাস ক্যামবেলে নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘তাদের (শান্তিরক্ষা মিশন) হয় আমাদের নিরাপত্তা দিতে হবে নয় আমাদের দেশ ত্যাগ করতে হবে। আমরা মারা যাচ্ছি, আর তারা শুধু দেখছে। তারা এখানে আছে কী করতে’?

 

/জেজে/
সম্পর্কিত
হাজার বছরের ‘পবিত্র’ গাছ মৃত্যুযাত্রায়, মর্মাহত পুরো গ্রাম
তলিয়ে যেতে পারে খুলনা ও কলকাতাসহ বিশ্বের ১৫ শহর
বিশ্বের সবচেয়ে ‘অপছন্দনীয়’ দেশ কোনগুলো
সর্বশেষ খবর
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম