নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ

বিদেশ ডেস্ক
০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮:৩২আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮:৩৮

 ভারতের রাজধানী দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) বেতন বৃদ্ধির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের এক মিছিলের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের একটি মিছিল রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে রওনা হলে সরোজিনি নগরে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে শিক্ষার্থীদের পুলিশের ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছে অনেক শিক্ষার্থী। নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ

গত মাসে আড়াই হাজার থেকে সাত হাজার টাকা প্রায় তিনশো ভাগ বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় জেএনইউ কর্তৃপক্ষ। এক মাস ধরে বেতন বৃদ্ধির প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জেএনইউ-এর নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সব অর্থনৈতিক সামর্থ্যের শিক্ষার্থীদের জন্যই এর দরজা উন্মুক্ত রাখার কথা বলা হলেও বেতন বৃদ্ধির মাধ্যমে ওই নীতি থেকে কর্তৃপক্ষ সরে আসছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত মাসে আংশিক বর্ধিত বেতন বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। তবে শিক্ষার্থীরা তা ‘আইওয়াশ’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। বর্ধিত বেতন সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে ইমেইল বার্তা পাঠায় জেএনইউ ছাত্র সংসদ। ওই ইমেইল বার্তায় উপাচার্যের পদত্যাগ ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব মামলা প্রত্যাহারের দাবি করা হয়।

শিক্ষার্থীদের এসব দাবি পূরণ না হওয়ায় সোমবার রাষ্ট্রপতি ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করে জেএনইউ শিক্ষার্থীরা। ওই কর্মসূচি ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ। সহিংসতা এড়াতে বিক্ষোভকারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

তবে শিক্ষার্থীরা তাতে সাড়া না দিয়ে কর্মসূচি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। সরোজিনি নগরের কাছে বিক্ষোভকারীদের মিছিলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে কাছের একটি মেট্রো স্টেশনে বিক্ষোভকারীদের পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়।

গত নভেম্বরে বেতন বৃদ্ধির প্রতিবাদে ভারতের পার্লামেন্টের কাছে মিছিল সমাবেশ করেছে জেএনইউ শিক্ষার্থীরা। ওই সময়ে পুলিশি তৎপরতায় আহত হয় দুই শিক্ষার্থী।

/জেজে/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে