কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঠেকানো হয়েছে: ইমরান

বিদেশ ডেস্ক
০১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২৩:০২আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২৩:০৭

কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঠেকানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তবে পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাকর বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হয়। কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঠেকানো হয়েছে: ইমরান
ইমরান খান জানান, কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক উত্তেজনা কমিয়ে আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি উত্তেজনা নিরসনে আমাদের ভূমিকা রেখেছি এবং আমরা যুদ্ধ এড়িয়ে গেছি। তবে বিষয়গুলো এখনও উত্তেজনাকর এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য আরও উদ্যোগ দরকার।

সাক্ষাৎকারে তুর্কি-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন ইমরান খান। তিনি জানান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নাগাদ পাকিস্তান সফরের কর্মসূচি রয়েছে। এ সফরে দুই ভ্রাতৃত্বপূর্ণ দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

২০১৯ সালে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা নিরসনে উদ্যোগী হন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ইমরান জানান, উত্তেজনা প্রশমনে ভূমিকা রাখতে তাকে অনুরোধ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে সাংবাদিকদের ইমরান খান বলেন, ট্রাম্প আমাকে বলেছেন, যদি আমি উত্তেজনা কমাতে পারি, তবে আরেকটি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

গত বছর জাতিসংঘের ওই অধিবেশনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পরেই রুহানির সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন ইমরান। তখন সাংবাদিকদের তিনি জানান, মধ্যস্থতার চেষ্টার বাইরে আর কিছু বলা সম্ভব নয়। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘সত্যিকার অর্থে তিনি (ইমরান খান) আমার কাছে অনুরোধ করেছেন। তিনি মনে করেন, ইরানি নেতার সঙ্গে আমার বৈঠকের ধারণাটি চমৎকার। আমরা দুজনেই এখানে রয়েছি। গত দুদিনে আমরা অনেক কূটনৈতিক বৈঠক করেছি।’ দৃশ্যত সেই কূটনৈতিক উদ্যোগে অগ্রগতি হয়েছে। যদিও পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাকর বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ইমরান খান।

/এমপি/
সম্পর্কিত
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
সর্বশেষ খবর
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, জানা যাবে রায়ের তারিখ
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, জানা যাবে রায়ের তারিখ
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম