বিশ্বের রাজনৈতিক আকাশে প্রতিদিনই নতুন মেঘ জমছে, নতুন ঝড় উঠছে। বৈশ্বিক নীতি-নির্ধারণের নীরব সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে ভূ-রাজনীতির জটিল খেলা, কূটনীতির অদৃশ্য সুতো, সংঘাতের আগুন এবং প্রতিরক্ষা খাতের নীরব প্রস্তুতি- সবকিছু মিলিয়ে যেন এক অবিরাম পরিবর্তন চলছে। এই পরিবর্তনের প্রতিটি দৃশ্য আজকের বিশ্বব্যবস্থাকে নতুন করে গড়ে তুলছে, ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। ২৯ জুন (সোমবার) বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনগুলোর কয়েকটি পাঠকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাড়া ফেলেছে।
ইউরোপে তীব্র গরমেও এসি ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক যুদ্ধ; আপাতত হামলা বন্ধে রাজি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, চলবে আলোচনা; কাতারে আটকে থাকা ৬০০ কোটি ডলার পাচ্ছে ইরান, দাবি পেজেশকিয়ানের; নিরাপত্তাশঙ্কায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল মন্থর; ইসরায়েলের সঙ্গে তুরস্কের উত্তেজনা কেন বাড়ছে-এই খবরগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলোর এই সংকলন।
রেকর্ডভাঙা তীব্র তাপদাহে পুড়ছে পুরো পশ্চিম ইউরোপ। আর এই চরম আবহাওয়ার মধ্যেই সেখানে এসি ব্যবহার করা ভালো নাকি মন্দ, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক যুদ্ধ। ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে ফ্রান্সের রাজনীতিবিদদের মধ্যে এ নিয়ে তৈরি হয়েছে আদর্শিক বিভাজন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরের ওপর হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করারও পরিকল্পনা করছে দেশ দুটি। রবিবার রাতে এক মার্কিন কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন বলে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে।
চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে পারস্য উপসাগরে একের পর এক হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার মধ্যেই কাতারে অবরুদ্ধ থাকা ৬ বিলিয়ন (৬০০ কোটি) মার্কিন ডলারের ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সোমবার তিনি এই কথা জানান।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে এই জ্বালানি করিডোরটির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে এবং জলপথটিতে জাহাজ চলাচল আবার শ্লথ হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওমানের মাস্কটে যৌথ বৈঠকে বসেছে ইরান ও ওমান।
তুরস্কের সঙ্গে ক্রমাগত বাড়তে থাকা চরম উত্তেজনার জের ধরে এবার প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ‘আর্মেনীয় গণহত্যা’কে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে ইসরায়েল। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপটি কোনও ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা থেকে নয়, বরং তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের সঙ্গে চলমান বৈরিতায় নতুন চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে এ বিষয়ে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে।

ইউরোপে তীব্র গরমেও এসি ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক যুদ্ধ
আপাতত হামলা বন্ধে রাজি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, চলবে আলোচনা
কাতারে আটকে থাকা ৬০০ কোটি ডলার পাচ্ছে ইরান, দাবি পেজেশকিয়ানের
নিরাপত্তাশঙ্কায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল মন্থর
ইসরায়েলের সঙ্গে তুরস্কের উত্তেজনা কেন বাড়ছে






