সুদানে সেনা ও আধা সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) মধ্যে ভয়াবহ লড়াইয়ে প্রায় ১০০ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। ক্ষমতার লড়াইয়ের তৃতীয় দিনে এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন হাজারেরও বেশি মানুষ। সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধে পুনরায় আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সোমবার (১৭ এপ্রিল) সুদানের রাজধানী খার্তুমের আবাসিক ভবনগুলোর খুব কাছ দিয়েই উড়তে দেখা যায় সামরিক হেলিকপ্টার। আগের দিন রবিবার কয়েক দফা চক্কর দিতে দেখা যায় যুদ্ধবিমানকে। আরএসএফের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে করে হামলা চালায় দেশটির বিমান বাহিনী।
খার্তুমের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশে ব্যাপক কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। শুধু বিমানবন্দর নয়, শহরের বিভিন্ন স্থানে একই পরিস্থিতি। কোথাও কোথাও ভারী গোলাবর্ষণ হয়েছে দুই বাহিনীর মধ্যে।
সুদানে হঠাৎ নতুন করে অস্থিরতায় উদ্বিগ্ন পার্শ্ববর্তীসহ পশ্চিমা দেশগুলো। এ বিষয়ে সামরিক বাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। জি-৭ দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকের সময় সুদানে যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে যুদ্ধবিরতি এবং আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ব্লিঙ্কেন আরও বলেন, সুদানের জনগণ চাচ্ছে, সামরিক বাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাক। সাধারণ মানুষ গণতন্ত্র চায়। তারা বেসামরিক নেতৃত্বাধীন সরকার চায়।
রবিবার আরএসএফ দাবি করেছিল, রাজধানী খার্তুম, পার্শ্ববর্তী শহর ওমদুরমান, দারফুরের পশ্চিমাঞ্চলে, সুদানের উত্তরে মেরোওয়ে বিমানবন্দরের অংশগুলো দখলে নিয়েছে। পরবর্তীতে বিমানবন্দরসহ বেশ কিছু জায়গায় পুনরুদ্ধার করেছে জানিয়ে পাল্টা বিবৃতিতে দেয় সেনাবাহিনী।
২০২১ সালের অক্টোবরে অভ্যুত্থানের পর থেকে সুদান একটি জেনারেল কাউন্সিল দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। বিরোধের কেন্দ্রে দুইজন সামরিক ব্যক্তি রয়েছেন, যারা এখন একে অপরকে যেকোনও মূল্যে পরাস্ত করতে চাইছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান








