ভেনেজুয়েলা তাদের বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের একটি বড় অংশ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার পর ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে ওঠা 'তেল চুরির' অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট। বুধবার কারাকাস বিমানবন্দরে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমরা ভেনেজুয়েলার তেল চুরি করছি, এমন খবর একেবারেই সত্য নয়।
কয়েক বিলিয়ন ডলারের একাধিক জ্বালানি চুক্তি তদারকি করতে কারাকাস সফরে এসে রাইট বলেন, ভেনেজুয়েলার তেল আসলে দেশটির জনগণেরই মালিকানাধীন। বেসরকারি কোম্পানিগুলো টাকা বিনিয়োগ করছে ঠিকই, তবে এর সুবিধা, রয়্যালটি ও কর সবই পাবে সরকার ও দেশের জনগণ।
মাটির নিচে অব্যবহৃত পড়ে থাকা সম্পদকে প্রযুক্তি দিয়ে উন্নয়ন করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি তেল খাতের স্বার্থেই ভেনেজুয়েলার বিদ্যুৎ অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরেন রাইট।
উল্লেখ্য, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তেল মজুত থাকা ভেনেজুয়েলার প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলে বেশি তেল (মোট মজুতের ২০ শতাংশ) যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার কথা রয়েছে। কারাকাস ধারণা করছে, ২৫ বছরে এই চুক্তি থেকে তাদের ২০৯ বিলিয়ন ডলার আয় হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
গত জানুয়ারিতে মার্কিন বাহিনী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে ডেলসি রড্রিগেজ অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনা করছেন। বুধবার ভেনেজুয়েলায় এই মুহূর্তে নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান নাকচ করে ট্রাম্প বলেন, আমি মনে করি না তারা এখনও প্রস্তুত। আমরা তাদের স্বৈরশাসন থেকে বের করে এনেছি।
মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী রাইটও নির্বাচনকে একটি ‘প্রক্রিয়া’ উল্লেখ করে জানান, ভোটাভুটির আগে দেশটির অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং সুপ্রিম কোর্টসহ প্রয়োজনীয় নানা সংস্কার সম্পন্ন করা আবশ্যক।
সূত্র: এএফপি

পাতায়ায় মাতাল হয়ে মারামারি, দুই মার্কিন সেনাকে ফিরতে হলো রণতরিতে







