ব্রাজিলের বৈধ নেতা হওয়ার ফ্লাভিও বলসোনারোর দাবিতে সমর্থন দেওয়ার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের নেই। বৃহস্পতিবার একজন মার্কিন কর্মকর্তা ও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আরেকজন এ তথ্য জানিয়েছেন। অথচ বছরের পর বছর বলসোনারো ও তার বাবাকে সমর্থন দিয়ে আসা এই প্রশাসনই পরাজিত প্রার্থীকে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রবিবারের ব্রাজিলের নির্বাচন কারচুপির মতো মনে হয়েছে। তবে তিনি এও উল্লেখ করেছেন, তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ওই নির্বাচনে তিনি কাউকে সমর্থন দেননি। ৮১ বছর বয়সী সাবেক শ্রমিক নেতা ও বর্তমান বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা ৩ দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে প্রতিকূলতা পেরিয়ে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তার সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ভালো বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন কর্মকর্তা ও অন্য ব্যক্তিটি বলেন, প্রশাসন বলসোনারোকে দেশে ঢুকতে দিলেও তার রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষায় সমর্থন দেওয়ার কোনও বর্তমান পরিকল্পনা ট্রাম্পের নেই। তবে প্রেসিডেন্ট মত বদলাতেও পারেন বলে তারা জানান। ট্রাম্প প্রশাসনের এ অবস্থান ইঙ্গিত দেয়, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় ওঠানামার মধ্য দিয়ে যাওয়া ব্রাজিলের সঙ্গে সম্পর্কে নতুন করে সংকট তৈরিতে প্রেসিডেন্ট অনিচ্ছুক হতে পারেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তৃতীয় একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, স্বেচ্ছানির্বাসনে যাওয়ায় বলসোনারোর রাজনৈতিক পুঁজি কমেছে। আগামী বছরগুলোয় তিনি বিরোধী দলের নেতৃত্ব দেবেন বলে আশা করা ব্রাজিলের অনেক রক্ষণশীল তার পালিয়ে যাওয়ার সমালোচনা করেছেন।
মন্তব্যের অনুরোধ হোয়াইট হাউস স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাছে পাঠিয়ে দেয়, তারা সাড়া দেয়নি। ব্রাজিল সরকার ও বলসোনারোর প্রতিনিধিও সাড়া দেননি।
মার্কিন-ইরান চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে তেহরানে কাতারি মধ্যস্থতাকারীরা