৪০ হাজার কোটি রুপিতে আটটি স্টিলথ যুদ্ধ জাহাজ বানাবে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২০:২০ আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২১:০৫

ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য আটটি পরবর্তী প্রজন্মের করভেট (এনজিসি) নির্মাণে ৪০ হাজার কোটি রুপির বেশি ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি (সিসিএস)। এতে নৌবাহিনীর ভূপৃষ্ঠ যুদ্ধজাহাজের বহরে উল্লেখযোগ্য সংযোজন ঘটবে। প্রকল্পের আওতায় নৌবাহিনী পাবে ছোট আকারের, দ্রুতগতির, বহুমুখী স্টিলথ যুদ্ধজাহাজের নতুন প্রজন্ম, যা ভারত মহাসাগর অঞ্চলজুড়ে অভিযান চালাতে সক্ষম।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সিসিএস এই সপ্তাহের শুরুতে প্রকল্পটি অনুমোদন করেছে বলে জানা গেছে। কলকাতাভিত্তিক গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই) এবং গোয়া শিপইয়ার্ড লিমিটেডের (জিএসএল) সঙ্গে নির্মাণের চুক্তি শিগগিরই সই হবে বলে সরকার আশা করছে।

বড় অঙ্কের প্রতিরক্ষা সংগ্রহের ক্ষেত্রে চুক্তি চূড়ান্ত করার আগে সিসিএসের অনুমোদন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। করভেটগুলো ২০৩০ সাল নাগাদ হস্তান্তর শুরু হওয়ার কথা। নতুন প্রজন্মের এ যুদ্ধজাহাজ হবে উচ্চগতির ও চটপটে, গতি হবে প্রায় ৩০ নট। নৌবাহিনীর নিজস্বভাবে তৈরি দেশীয় নকশার ওপর ভিত্তি করে জাহাজগুলো নির্মিত হবে।

করভেট কী

করভেট তুলনামূলক ছোট আকারের ভূপৃষ্ঠ যুদ্ধজাহাজ, যা সাধারণত ফ্রিগেট বা ডেস্ট্রয়ারের চেয়ে ছোট। তবে আধুনিক করভেট উপকূলীয় টহলের বাইরেও নানা ভূমিকা পালন করে। এগুলোয় উন্নত রাডার, ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা, জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধের সরঞ্জাম থাকতে পারে।

এনজিসি কর্মসূচির লক্ষ্য একটি বহুমুখী যুদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যা সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ, সামুদ্রিক নজরদারি ও পুনরুদ্ধার, অনুসন্ধান ও আক্রমণ অভিযান, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা এবং অন্যান্য প্রতিরোধ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা কার্যক্রমসহ নানা ভূমিকা পালন করতে পারবে।

ফলে জাহাজগুলো নৌবাহিনীর জাহাজবিধ্বংসী যুদ্ধ, সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ ও উপকূলীয় যুদ্ধের সক্ষমতা বাড়াবে, ভারত মহাসাগর অঞ্চলজুড়ে আরও ভালো ও অবিরাম নজরদারি নিশ্চিত করবে এবং সামনের সারির বড় জাহাজগুলোর ওপর চাপ কমাবে। একই সঙ্গে এগুলো নৌবাহিনীর বর্তমান চারটি কামোর্তা-শ্রেণির করভেটের পরিপূরক হবে, যেগুলো মূলত সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধভিত্তিক।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

/এসএইএচএম/এমওএফ/
সম্পর্কিত
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সিইসির ‘গণ-অভিসংশন’ আন্দোলন পিছিয়ে দিলো ইন্ডিয়া জোট
বলসোনারোকে ব্রাজিলের বৈধ নেতার স্বীকৃতি দিচ্ছেন না ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
মালয়েশিয়ার কাছে ৬ গোলে হারলো বাংলাদেশ
মালয়েশিয়ার কাছে ৬ গোলে হারলো বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে হামলা, কীসের ইঙ্গিত?
রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে হামলা, কীসের ইঙ্গিত?
এনসিপিতে যোগ দিলেন শিবিরের ৮০ নেতাকর্মী, জামায়াত নেতা বললেন ‘অপপ্রচার’
এনসিপিতে যোগ দিলেন শিবিরের ৮০ নেতাকর্মী, জামায়াত নেতা বললেন ‘অপপ্রচার’
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বাধিক পঠিত
শততম ছবিতে চমক, শেষ ছবিতে বিদায়: আলমগীর-শাবানা জুটির গল্প
শততম ছবিতে চমক, শেষ ছবিতে বিদায়: আলমগীর-শাবানা জুটির গল্প
শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি গ্রেফতার
শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি গ্রেফতার
এলপিজি কিনে কত দিয়ে, বিক্রি হয় কততে
এলপিজি কিনে কত দিয়ে, বিক্রি হয় কততে
প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে ভিন্ন বার্তা প্রভার
প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে ভিন্ন বার্তা প্রভার
ধানক্ষেতে আত্মগোপন করেও শেষ রক্ষা হলো না আওয়ামী লীগ নেতার
ধানক্ষেতে আত্মগোপন করেও শেষ রক্ষা হলো না আওয়ামী লীগ নেতার