ইমরান খানের আপিল শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫:০১আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫:০১

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবি ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশির বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রীয় গোপন নথি ফাঁস (সাইফার) ও তোশাখানা দুর্নীতি মামলার আপিল শুনানি আগামীকাল সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি)। এই শুনানির জন্য শনিবার এক বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট (আইএইচসি)। রবিবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।

প্রধান বিচারপতি আমের ফারুক ও বিচারপতি মিয়াঙ্গুল হাসান আওরঙ্গজেবের সমন্বয়ে গঠিত আইএইচসি ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার আপিলের শুনানি করবেন।

রাষ্ট্রীয় গোপন নথি ফাঁস (সাইফার) মামলায় ইমরান ও কুরেশিকে দোষী সাব্যস্ত করে, ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তবে এই সাজাকে চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেছেন তারা।

আর তোশাখানা দুর্নীতি মামলার রায়কে চ্যালেঞ্জ করেছেন ইমরান খান ও বুশরা বিবি। এই মামলায় তাদের প্রত্যেককে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১৫৪ কোটি পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করা হয়।

সাইফার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর করা আপিলে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট ইমরান খানের গ্রেফতার ও রিমান্ড শুনানি সবচেয়ে আপত্তিকর ও গোপনীয় পদ্ধতিতে করা হয়েছিল। কোনো ধরনের যৌক্তিক কারণ ছাড়াই ইমরান খানের বিরুদ্ধে তাড়াহুড়ো করে রায় দেওয়া হয়েছিল।

আপিলে বলা হয়, ইমরানের বিরুদ্ধে ট্রায়াল কোর্টে উপস্থাপন করা সম্পূর্ণ রেকর্ড প্রসিকিউশন শেয়ার করেনি। বরং তাড়াহুড়ো করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিযুক্ত করেছেন বিচারক।

আপিলে ইমরান খান দাবি করেন, তাদের কৌঁসুলিরা আদালতকে পূর্ণ সহায়তা দিলেও ন্যায়বিচার পাওয়ার ব্যাপারে মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেই পরিচালিত হয়েছিলো তার মামলা।

আপিলে আরও অভিযোগ করা হয়, উন্মুক্ত বিচারের জন্য ইসলামাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশ থাকার পরও জনসাধারণ, মিডিয়া ইত্যাদিকে নির্দ্বিধায় বিচারের সাক্ষী হতে দেওয়া হয়নি, বরং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি ও তাদের আইনজীবীদের না জানিয়েই আদালতের কক্ষ পরিবর্তন করে গোপনে কার্যক্রম পরিচালনা করে হয়েছিলো।

/এস/
সম্পর্কিত
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
মৌমাছির রানি হয়ে ওঠার রহস্য কী
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম