চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফরের সময় দুই দেশ আটটি সুনির্দিষ্ট ফলাফল ও সমঝোতায় পৌঁছেছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায্যতা ও পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রেখে গঠনমূলক চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন।
চায়না ফরেন অ্যাফেয়ার্স ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট কাও ফেই বলেন, মে মাসের বেইজিং শীর্ষ বৈঠকে নির্ধারিত কৌশলগত স্থিতিশীলতা ও গঠনমূলক সম্পর্কের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে এই তিন নীতি। তাঁর মতে, এগুলো চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, ‘শ্রদ্ধা’ বলতে একে অপরের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা, সামাজিক ব্যবস্থা ও উন্নয়নের পথকে সম্মান করাকে বোঝায়। ‘ন্যায্যতা’ হলো পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা ও আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসন করা এবং একতরফা সুবিধা অর্জনের চেষ্টা না করা। আর ‘পারস্পরিক সুবিধা’ হলো দুই দেশের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং আধিপত্যবাদী বা জবরদস্তিমূলক আচরণ থেকে বিরত থাকা।
আলোচনার ফলাফলের মধ্যে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিনিধিদের আলোচনাকে অনুমোদন এবং পারস্পরিকভাবে ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক হ্রাসের সমঝোতা রয়েছে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ ব্যবস্থাও গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তা ওয়ে বলেন, এই সমঝোতা একটি ভালো সূচনা। তিনি জানান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দুই দেশের যৌথ লড়াইয়ের ইতিহাসও নতুন করে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর মতে, ভবিষ্যতে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়াতে এই যৌথ ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: সিএমজি
ভারতে যুদ্ধবিমান তৈরির প্রকল্প থেকে বাদ পড়লো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান
অজু করতে গিয়ে লেকের পানিতে ডুবে ব্রিটিশ বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু