বিশ্বে নানা প্রজাতির পাখি থাকলেও জাপানের ওনাগাদোরি নামের মোরগ-মুরগি একদমই ব্যতিক্রম। এই বিরল পাখির লেজের পালক নাকি বেড়ে প্রায় ৫০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে!
সপ্তদশ শতাব্দীতে জাপানের শিকোকু দ্বীপে প্রথম এদের লালন-পালন শুরু হয়। প্রজননকারীদের বিশেষ পরিচর্যায় জন্ম নেয় অনন্য এই প্রজাতি। সাধারণ মোরগ বা মুরগির পালক প্রতিবছর ঝরে গিয়ে নতুন পালক গজালেও ওনাগাদোরির ক্ষেত্রে তা ঘটে না। এদের লেজের পালক বছরের পর বছর ধরে একটানা বাড়তেই থাকে, যা শেষ পর্যন্ত এক অবিশ্বাস্য দৈর্ঘ্যে গিয়ে পৌঁছায়।
স্বাতন্ত্র্য ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বিবেচনায় ১৯৫২ সালে ওনাগাদোরিকে জাপানের ‘জাতীয় প্রাকৃতিক সম্পদ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে এ প্রজাতির সংখ্যা খুবই কম এবং এদের বিশেষ সুরক্ষায় রাখা হয়। এদের লালন-পালনও বেশ কঠিন। বিশাল লেজ যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য প্রয়োজন হয় বিশেষ ধরনের খাঁচা ও সার্বক্ষণিক যত্ন।
বিশ্বজুড়ে অদ্ভুত সব জিনিসের খোঁজে বের হয়ে রবার্ট রিপলিও এই পাখির দেখা পেয়েছিলেন। তিনি সে সময় ২৪ ফুট লম্বা লেজের ওনাগাদোরির কথা নথিভুক্ত করেছিলেন।
জাপানের এই সম্মানজনক প্রজাতিটি প্রমাণ করে যে প্রকৃতির বিস্ময়ের কোনও শেষ নেই। অদ্ভুত ও অসম্ভব সব প্রাণীর তালিকায় এই ওনাগাদোরি সত্যিই অনন্য এক সৃষ্টি।
সূত্র: রিপলি’স
সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে, জানালো ইরান