ইউক্রেনে ‘সবচেয়ে বড়’ রুশ বিমান হামলায় নিহত ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৭ আগস্ট ২০২৪, ০৯:০৪আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৪, ০৯:০৪

রুশ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইউক্রেনে সবচেয়ে বড় বিমান হামলা চালিয়েছে মস্কো। সোমবার (২৬ আগস্ট) ইউক্রেনের অর্ধেকেরও বেশি অঞ্চলে দুইশোর বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত সাতজন নিহত ও কয়েক ডজন আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর প্রধান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

রুশ হামলায় বিদ্যুতের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিয়েভের কিছু অংশ সহ অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জল সরবরাহে বিভ্রাটের খবর পাওয়া গেছে। কারণ পুরো দেশকেই বিমান হামলার সতর্কতার অধীনে রাখা হয়েছিল।

রাশিয়া নিশ্চিত করেছে, তারা ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে আক্রমণ শুরু করেছে। জানিয়েছে, এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগুলির মধ্যে একটি। তারা ইউক্রেনের প্রায় সব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে।

রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু হয়ে সকাল পর্যন্ত চলে। ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর কমান্ডার মাইকোলা ওলেশচুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে জানিয়েছে, রাতভর ১২৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১০৯ টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এর মধ্যে তারা ১০২টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৯৯টি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিতের দাবি করেছে তারা। 

ওলেশচুক সর্বাত্মক এ হামলাকে ‘সবচেয়ে বড় বিমান হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন।

ইউক্রেনের ডিনিপ্রো এলঅকায় রুশ হামলা। ছবি: রয়টার্স।

এর আগে, গত ডিসেম্বরে ইউক্রেনে ১৫৮ টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া যা তখন সবচেয়ে বড় আক্রমণ হিসাবে বিবেচিত হয়েছিল।

এদিকে ন্যাটো সদস্য পোল্যান্ড জানিয়েছে, রুশ হামলার সময় একটি ‘বস্তু’ তাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে। পোলিশ সেনাবাহিনীর অপারেশনাল কমান্ডের মুখপাত্র জ্যাসেক গোরিসজেউস্কি বলেছেন, সম্ভবত এটি একটি ড্রোন ছিল।  ফ্লাইটের গতিপথ এবং গতি নির্দেশ করে যে এটি ক্ষেপণাস্ত্র ছিল না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। ন্যাটোর মুখপাত্র ফারাহ দাখলাল্লাহ রাশিয়ার ন্যাটো আকাশসীমা লঙ্ঘনকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ বলে উল্লেখ করেছেন।

কিছুদিন ধরেই বড় ধরনের রুশ হামলার আশঙ্কা করছিল ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ার ভেতরে হামলা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে কুরস্কের কিছু অংশ ইউক্রেন দখলে নেওয়ার পর থেকেই এ আশঙ্কা বাড়ছিল।

/এস/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী